শিরোনাম
বান্দরবানে ৩ কোটি টাকার সড়কের কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ গেল দুই পর্যটকের রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিদেশি সিগারেট জব্দ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ রাশিয়ায় ক্যানসারের ভ্যাকসিন রোগীর শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করছে, দাবি বিজ্ঞানীর কাপ্তাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহফুজ, সম্পাদক রিপন মারমা নির্বাচিত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেয়ার পর ফোন তারেক রহমানের,গ্যাস সঙ্কট মোকাবিলায় সহায়তার আশ্বাস ২২১ কোটি টাকা বেড়েছে রেলের আয়, কীভাবে? এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে আনোয়ারায় বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা দিলেন সাচিং প্রু জেরী

৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে একসঙ্গে ৩ বোনের আত্মহত্যা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৮ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- ভারতের গাজিয়াবাদে তিন বোন একসঙ্গে ৯ তলা থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মৃত তিন বোনের নাম বিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) এবং পাখি (১২)। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে একে ‘গণ-আত্মহত্যা’ মনে হলেও, এক প্রত্যক্ষদর্শী বয়ান অনুযায়ী এটি ছিল একটি দুর্ঘটনা। তবে তদন্তকারীরা কিশোরীদের শোয়ার ঘরের দেওয়ালে বিষণ্নতার নানা বার্তা পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টা ১৫ মিনিট নাগাদ গাজিয়াবাদের ভারত সিটি আবাসন চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী অরুণ সিং জানান, তিনি নিজের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন পাশের ব্লকের নবম তলার ব্যালকনিতে এক বোনকে রেলিংয়ের উপর বসে থাকতে দেখেন। প্রথমে তিনি মনে করেছিলেন, কিছু দাম্পত্য অশান্তি চলছে। তারপর দেখতে পান, এক বোন ঝাঁপ দিতে যাচ্ছে, আর অন্য দুটি বোন তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

তিনি আরও জানান, একবার তাদের মধ্যে একজনকে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হয়, কিন্তু কয়েক মিনিট পর, সেই কিশোরী আবার রেলিংয়ে উঠে বসে। এর পর, অন্য একটি ছোট মেয়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে নামানোর চেষ্টা করলে, তিনটি বোন একসঙ্গে নিচে পড়ে যায়। অরুণ সিং আরও জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্স ডাকার পর এক ঘণ্টা সময় নিয়ে তা পৌঁছায়, যা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট এবং একটি পকেট ডায়েরি উদ্ধার করেছে। ডায়েরির পাতায় অনলাইন গেমিং এবং মোবাইল আসক্তির বিষয়ে নানা উল্লেখ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, এই তিন বোন কোরিয়ান একটি অনলাইন গেমের প্রতি মারাত্মক আসক্ত ছিল এবং তারা নিজেদের আসল নাম বদলে কোরিয়ান নাম ব্যবহার করত।

তাদের বাবা চেতন কুমার জানান, মেয়েরা প্রায়ই বলত, “কোরিয়া আমাদের জীবন, কোরিয়া আমাদের ভালোবাসা,” এবং মোবাইল ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। দুই বছর ধরে তারা স্কুলে যেতে বন্ধ করে দিয়েছিল এবং শুধু গেমের দিকে মনোযোগী হয়ে উঠেছিল।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions