শিরোনাম
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত,ঝুলন্ত সেতু পানির নীচে,রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে পানি ১০৫.৩৬ ফুট, বিপৎসীমার ৩.৬৪ ফুট নিচে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: প্লাবিত নিচু এলাকা, কাপ্তাই বাঁধ খোলে দেয়ার দাবী স্থানীয়দের নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বরণ, বিএনপির উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রকল্পের মেয়াদ ১০ বছর ৯ বছরে শুরু হয়নি তিন স্কুলের কাজ, খরচ ৪৪৪ কোটি টাকা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ পার্বত্যমন্ত্রীর পার্বত্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন রাশেদুল হক মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভুটান রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাঙ্গামাটিতে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ৩৬৯ দেখা হয়েছে

রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটিতে ৬ষ্ঠ শ্রেনির পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণে দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার(২৮ মে ) সকালে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ.ই. এম.ইসমাইল হোসেন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী মো.মোজাম্মেল হক (৪০), ঠিকানা-মনেয়াবাদ, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। বর্তমানে রিজার্ভ বাজার, পুরান বস্তি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ মার্চ ২০১৮ সালে দুপুরে আনুমানিক ১২ টার সময় আসামী মোঃ মোজাম্মেল হকের ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আসামি ভিকটিমকে পেঁয়াজ কেটে দেওয়ার জন্য তার ঘরে ডেকে নিয়ে ভিকটিম আসামি ঘরে প্রবেশ করে আসামি দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে ভিকটিম চিৎকার করলে তার মুখে কাপড় গুজে দিয়ে মাটিতে ফেলে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ভিকটিমের মা ভিকটিমকে না দেখতে পেয়ে খুঁজতে খুঁজতে আসামির ঘরে এসে আসামিকে দরজা খুলতে বলে। পরে আসামি কোন সাড়া না দিলে আশেপাশে প্রতিবেশীরা এসে আসামির ঘরে দরজা লাথি মেরে খুলে দেখেন আসামি ভিকটিমকে ধর্ষন করছে। পরে ভিকটিমকে উদ্বার ও আসামিকে আটক করে রাঙ্গামাটি সদর থানার পুলিশ তুলে দেওয়া হয় এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০ এর ৯ (১) ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই মামলায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

কারাদণ্ড ছাড়াও শিশুটির পরিবারকে ৯০ দিনের মধ্যে ১ লাখ ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে

আসামির স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলামের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা নিতে জেলা কালেক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এবিষয়ে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম অভি বলেন, আদালতে রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি এবং এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে নারী জনিত অপরাধ কমে আসবে বলে আমি মনে করি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions