শিরোনাম
কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই হৃদরোগের আধুনিক চিকিৎসা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম বৃষ্টিতে ভেসে গেল বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল, না খেলেই সেমিফাইনালে লিটনরা ট্রাম্পের ‘কিউবা ভেঙে পড়বে’ মন্তব্যের পর হাভানার পাশে চীন যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মধ্যেই অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানি নারীরা স্ত্রীর ডেলিভারির ওষুধ কিনতে গিয়ে হাসপাতালে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা ‘২ কোটি দেন, সব সই করে দেব’ লক্ষ্মীপুরে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত ‘কিশোর অপরাধ’ বিরোধী অভিযান, চট্টগ্রামে এক রাতে আটক ৩৫৪ দাবি মানা না হলে পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্ত পরিস্থিতির জন্য সরকার দায়ী থাকবে রাঙ্গামাটিতে বিজিবির বড় সফলতা: ২টি পিস্তল, গুলিসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ

‘২ কোটি দেন, সব সই করে দেব’ লক্ষ্মীপুরে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- ‘আমাকে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেব’ বলা লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড–পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও ছড়ানোর পর গতকাল সোমবার দুপুরে তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের–পিডিবি। কমিটির প্রধান করা হয়েছে পিডিবির ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল–১ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস এম ইকবালকে। তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিডিবির কুমিল্লা বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফিরোজ কবির। খবর বিডিনিউজের।

গত রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে ৮ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের নুরুল আমিনকে বলতে শোনা যায়, এসি স্যার রাজি হয়ে গেছে, কোন একটা কারণে, আমি দুই কোটি টাকা থেকে নড়ব না। ছয় কোটি টাকা তিনগুণ না, আমি দুই কোটি টাকার কমে নড়ব না, চেয়ারম্যানের কাছে যেতে হলে যাব। দেখি চেয়ারম্যান কী কয়। একটা বিলের জন্য যদি দুই কোটি টাকা নিই, তাহলে চেয়ারম্যান কি আমার বিরুদ্ধে যাবে? আমাকে জায়গামতো পোস্টিং দেবে। সোজা হিসেব, তিন লাখ টাকার ওয়ার্কে মালামাল লাগে ৩০ লাখ টাকা। তাহলে কত কোটি টাকার মাল সে আত্মসাৎ করছে। হিসেব করে দেখা যাবে, পাঁচ কোটি টাকার মাল সে আত্মসাৎ করেছে। পাঁচ কোটি টাকা থেকে আমাকে দুই কোটি টাকা দেন, আমি সব সই করে দেব।

ভিডিওটি ছড়ানোর পর গতকাল কার্যালয়ে আসেননি নুরুল আমিন। বক্তব্য জানতে মোবাইলে একাধিক কল করা হলেও ধরেননি। এ বিষয়ে ওই কার্যালয়ের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা মুখ খুলতে রাজি হননি।

সদরের কয়েকজন ঠিকাদার জানান, লক্ষ্মীপুরে যোগদানের পর থেকে নুরুল আমিন কমিশন বাণিজ্যে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। নামে–বেনামে তিনি কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ঘুষ না দিলে বিল আটকে রাখা, কাজের অনুমোদন না দেওয়া, জটিলতা দেখিয়ে টাকা আদায় করতেন। তিনি মাঝেমধ্যে অফিস করতেন না।

ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নুরুল আমিনের সরকারি বাসভবনে টাকা গ্রহণ করতে দেখা গেছে। তবে ওইসব ব্যক্তিদের মুখ স্পষ্ট দেখা যায়নি। পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কোন প্রেক্ষাপটে টাকা লেনদেনের ঘটনা তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি । ভিডিওতে তিনি ওইসব ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখানে কত? ওই ব্যক্তি বলেন, এখানে ৩৫ স্যার। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এক লাখ ৩৫। ওই ব্যক্তি বলেন, আগে দিয়েছি এক লাখ স্যার।

অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর অভিযোগ, ভবন সংস্কার, রং করা, ঝাঁড়ঝোপ পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন না করেও নিয়মিত ভুয়া বিল–ভাউচার করে পকেট ভারি করতেন নুরুল আমিন। প্রতি মিটার অনুমোদনের সইতে এক হাজার টাকা করে নিতেন তিনি। তার কাছে সবাই অনেকটা জিম্মি।আজাদী

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions