
কাপ্তাই বাঁধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুহারা হয়ে ১৯৮৩ সালে সরকারি খাস জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী সুখেন্দু বিকাশ ত্রিপুরা। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে পরিবার নিয়ে সেখানেই বসবাস করে আসছিলেন তিনি।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে আইনি জটিলতার মধ্যেই তাদের বসতঘর উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। এ নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলে গত ১৩ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযানের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। তবে আদালতের আদেশের পরও একইদিনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

আদালতের স্থগিতাদেশের পরও কীভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের দাবি, উচ্ছেদের আগে যথাযথ নোটিশও দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে আপিল নিষ্পত্তির পর নির্ধারিত সময় দেওয়ার নিয়মও মানা হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
প্রশাসনের অভিযানে মুহূর্তেই ভেঙে ফেলা হয় পরিবারের বসতঘর। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে থাকে দীর্ঘদিনের স্মৃতি আর শেষ আশ্রয়ের চিহ্ন। অবসর জীবনে এসে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পরিবারটি।
আইনজীবীর দাবি, আদালতের স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকার পরও উচ্ছেদ করা হয়ে থাকলে সেটি আদালতের আদেশ অমান্যের শামিল। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণসহ উচ্চ আদালতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।