শিরোনাম
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অমান্য করে উচ্ছেদ, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন: তারুণ্য, প্রজ্ঞা ও কর্মমুখী নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি আতিকুর রহমান রুমন: সাংবাদিকতা থেকে রাষ্ট্রীয় যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আ.লীগের শোডাউন: পাল্টাপাল্টি দোষারোপ সরকারি ও বিরোধী দলের উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীনকে চূড়ান্ত প্রার্থী করলো এনসিপি হুথি হামলায় সৌদি পাইপলাইন বন্ধ, হুমকিতে ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত কোতয়ালী থানা বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগের দুই নেতাসহ গ্রেফতার ৫ পশ্চিমবঙ্গে ২৫২মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, নোটিশ পেলো আরও ১০০ জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অমান্য করে উচ্ছেদ, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ দেখা হয়েছে
  1. রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটিতে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর বসতঘর উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ১৩ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযানের ওপর হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিলেও একইদিনে তাদের বসতঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে শেষ বয়সে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে পরিবারটি এখন খোলা আকাশের নিচে।

কাপ্তাই বাঁধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুহারা হয়ে ১৯৮৩ সালে সরকারি খাস জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী সুখেন্দু বিকাশ ত্রিপুরা। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে পরিবার নিয়ে সেখানেই বসবাস করে আসছিলেন তিনি।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে আইনি জটিলতার মধ্যেই তাদের বসতঘর উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। এ নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলে গত ১৩ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযানের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। তবে আদালতের আদেশের পরও একইদিনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।


আদালতের স্থগিতাদেশের পরও কীভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের দাবি, উচ্ছেদের আগে যথাযথ নোটিশও দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে আপিল নিষ্পত্তির পর নির্ধারিত সময় দেওয়ার নিয়মও মানা হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
প্রশাসনের অভিযানে মুহূর্তেই ভেঙে ফেলা হয় পরিবারের বসতঘর। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে থাকে দীর্ঘদিনের স্মৃতি আর শেষ আশ্রয়ের চিহ্ন। অবসর জীবনে এসে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পরিবারটি।
আইনজীবীর দাবি, আদালতের স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকার পরও উচ্ছেদ করা হয়ে থাকলে সেটি আদালতের আদেশ অমান্যের শামিল। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণসহ উচ্চ আদালতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions