শিরোনাম
চট্টগ্রামে জিইসি মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ভারতের সেনাপ্রধানের ‘মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার’ হুঁশিয়ারি, কড়া জবাব পাকিস্তানের চ্যালেঞ্জের বাজেটে কী থাকছে,অর্থ সংকট, বিদেশি ঋণের চাপ ১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার বিএনপি-জামায়াতের বিরোধিতা কি ‘লোকদেখানো’ চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে রাঙ্গামাট – চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ীকা বাস উল্টে দুর্ঘটনা, চালকের খামখেয়ালিপনার অভিযোগ বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে হাম-রুবেলার প্রকোপ: আক্রান্ত ৮৪ শিশু সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো: গনীউল আজম বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ রাঙ্গামাটিতে বিজ্ঞানমেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ক্ষুদে বিজ্ঞানী সুজন চাকমার ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ও ‘বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট’

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ — পার্বত্য মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২৩ দেখা হয়েছে

রাঙ্গামাটি:- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা, পরামর্শ ও সমর্থনের মাধ্যমে এ ধরনের মহতী আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

মঙ্গলবার রাঙ্গামাটি জেলার ঐতিহ্যবাহী রাজবন বিহার প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধান পূণ্যার্থীর বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ছিল বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার প্রদীপ প্রজ্বলন, বিশ্বশান্তি প্যাগোডার উদ্দেশ্যে অর্থদান, পরিত্রাণ সূত্র শ্রবণ এবং বাংলাদেশী বৌদ্ধদের ধর্মীয় সংঘের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।

এ সময় সংঘরাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির এবং উপ-সংঘরাজ ভদন্ত প্রিয়দর্শী মহাস্থবিরকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এসব কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের এই উৎসবগুলোর মূল বার্তা হচ্ছে শান্তি, সহাবস্থান ও সম্প্রীতি।

বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের স্বকীয়তা রক্ষা, সংস্কৃতির বিকাশ এবং সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে।

দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এখানকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব রীতি ও ঐতিহ্য অনুসারে উদযাপিত হচ্ছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করছে।

অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রাণ ভিক্ষুসংঘ, চতুর্থ মহাসংঘরাজ, উপ-সংঘরাজসহ অন্যান্য ভিক্ষুগণ, দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং বিশ্বশান্তি ও সকল প্রাণীর কল্যাণ কামনায় প্রার্থনা করেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions