শিরোনাম
মিয়ানমারের মংডুতে সামরিক জান্তার বিমানবাহিনী ও মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত সামরিক তৎপরতার দাবি বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়েে আসছে অস্ত্র, খুন উদ্বেগ নোয়াখালীতে ৩ সন্তানকে রেখে ইমামের সঙ্গে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী ফুটবল নয়, এ যেন রূপকথা সাইক্লিস্ট রাকিবুল ও কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের মানবিকতায় বদলে গেল এক পরিবারের জীবন রাঙ্গামাটিতে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলমান পাকিস্তানে বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০ চট্টগ্রামে জিইসি মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ফুটবল নয়, এ যেন রূপকথা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট+- এক আত্মঘাতী গোলে মেসির ভাগ্য বদলে গেল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যে ক’টি খেলা স্মরণীয় হয়ে থাকবে কেপ ভার্দে-আর্জেন্টিনা ম্যাচ তার একটি। অনেকেই ভেবেছিলেন, পুঁচকে কেপ ভার্দে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই আসতে পারবে না। মাত্র পাঁচ লাখ ৩০ হাজার মানুষের এই দ্বীপরাষ্ট্রটি ফুটবলে যে এতোটা এগিয়েছে—তা কল্পনাতীত। আফ্রিকা কাপ অব ন্যাশনসে অনেকবারই এই ব্লু শার্করা ঝড় তুলেছে। আজকের খেলায় দু’বার পেছন থেকে তারা আর্জেন্টিনার সঙ্গে যেভাবে লড়াই করেছে—তা ছিল রোমাঞ্চকর, অবিশ্বাস্য। বিবিসির স্প্যানিশ ফুটবল রাইটার এলিজাবেথ কন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, কেপ ভার্দের লড়াই দেখে তিনি তাদের ফ্যান হয়ে গেছেন। ভাবা যায় এই নীল হাঙর ২৮ মিনিট পর্যন্ত মেসিদের গতিরোধ করেছিল! তবে ২৯ মিনিটের মাথায় মেসির গোলে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায়।

খেলার ভাগ্যটা তখন অনেকেই মনে করেছিলেন এখানেই বুঝি শেষ। কিন্তু কেপ ভার্দে গোল পরিশোধ করে সব হিসাব পাল্টে দেয়। আর্জেন্টিনা চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। বিশেষ করে মেসি। গোলরক্ষক ভোজিনিয়া আসলেই এক অপ্রতিরোধ্য দেয়াল রচনা করেন। খেলা চলতে থাকে। বলের নিয়ন্ত্রণ অনেকটা আর্জেন্টিনার কাছে। এর মধ্যেই আবার ৯৩ মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এক জটলা থেকে গোল করে বসেন। গোলটি ছিল অনেকটাই অপ্রত্যাশিত। তখন অনেকেই মনে করেছিলেন কেপ ভার্দে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। সে কি আর হয়! ঠিক কয়েক মিনিট বাদেই সিডনি লোপেস কাবরালের গোলে কেপ ভার্দে খেলায় ফিরে আসে। নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয় । কাবরালের গোলটি ছিল অপূর্ব। যেভাবে তিনি গোলটি করলেন তা রীতিমতো বিস্ময়কর। এ যেন মেসিদের কাছে আকাশ ভেঙে মাথায় পড়ার মতো। কী যে গোল! চলুন আরেকবার দেখে আসি। এই গোলের পর আর্জেন্টিনার সমর্থকদের কপালে ভাজ। কোচ স্কালোনির মুখের দিকে তো তাকানোই যাচ্ছিল না। তখন মাঠের অবস্থা যা ছিল তাতে মনে হচ্ছিল— এটা শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি শুটআউটে যাবে। তখনই রোমেরোর হেড থেকে বল কেপ ভার্দের বোর্জেসের হাতে লেগে চলে যায় জালে ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions