শিরোনাম
হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকারসহ তিন ধরনের সরঞ্জামের দাম কমলো শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে শিবা সানু-জয় চৌধুরী গুম প্রতিরোধে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আলাদা আইন করছে সরকার রাঙ্গামাটিতে ৩৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫১ লাখ টাকা মিয়ানমারের মংডুতে সামরিক জান্তার বিমানবাহিনী ও মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত সামরিক তৎপরতার দাবি বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়েে আসছে অস্ত্র, খুন উদ্বেগ নোয়াখালীতে ৩ সন্তানকে রেখে ইমামের সঙ্গে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী ফুটবল নয়, এ যেন রূপকথা সাইক্লিস্ট রাকিবুল ও কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংকের মানবিকতায় বদলে গেল এক পরিবারের জীবন

মিয়ানমারের মংডুতে সামরিক জান্তার বিমানবাহিনী ও মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমন্বিত সামরিক তৎপরতার দাবি

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৯ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলায় সামরিক জান্তার বিমান হামলা এবং আরসা (ARSA), আরএসও ( RSO) ও এআরএ (ARA) সহ মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সামরিক তৎপরতা একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে এবি নিউজ দাবি করেছে।

এবি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদী তীর এবং মায়ু পর্বতমালা এলাকায় এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়মিত সীমান্ত অতিক্রম, রসদ পরিবহন ও সরবরাহ সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

একই সময়ে সামরিক জান্তাও বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মংডুর বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মি সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার সময় সামরিক জান্তা Y-12 পরিবহন বিমান ও জেট যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বেসামরিক গ্রামগুলোতে বোমা হামলা চালায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জুনের এক বিমান হামলায় দ্বাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী আহত হন। এছাড়া ১ জুলাই সকালে বুথিডং এলাকায় আরেকটি বিমান হামলায় দুই মুসলিম শিশুসহ তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন এবং কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়া ১ জুলাই রাতে মংডু শহরের আশপাশে এবং ২ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে কিয়েইনচাউং গ্রামের কাছে Y-12 বিমান ও দুটি জেট যুদ্ধবিমান দিয়ে আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি আরও দাবি করে, একই সময়ে আরসা, আরএসও, ও এআরএ গোষ্ঠীগুলো মায়ু পর্বতমালা এবং মংডুর মিতাইক, থিনবাউহ্লা, দোন্যো ও তাউংপিওসহ বিভিন্ন গ্রামে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।
এছাড়া, মংডুর নাখাখা (৫) ঘাঁটির যুদ্ধে সামরিক জান্তা অতীতে এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল এবং ওই সংঘর্ষে জান্তা ও সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর বহু সদস্য নিহত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions