শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে চীনা চক্রের গোপন সার্ভার: টার্গেট ছিল দুই দেশের নেটওয়ার্ক জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘ মঞ্চে তারেক রহমান অক্টোবরে ৬৪ জেলায় সারের শতভাগ বরাদ্দ,চাহিদাভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে,ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি ৪ জামায়াতের লং মার্চ অযৌক্তিক হলেও সহযোগিতা করবে সরকার: রাশেদ খান রাঙ্গামাটিতে জমির বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত-৩ গুলশানে ঝটিকা মিছিল,‘নামাজের আগে পুলিশ থাকবে না ফাইনাল’ চাঙা হচ্ছে বিএনপি,সরকারের পাশাপাশি দল গোছাতে উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐক্য বজায় রাখতে পদক্ষেপ নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকেই বাড়তি বেতন ফিফার ২১১ সদস্যকে ১০ মিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার দাবি!

১০ ঘণ্টা অভিযানের পর বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪
  • ৩১৪ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার চিরুণী অভিযানের পর পতেঙ্গার কর্ণফুলী নদীতে ভূপাতিত হওয়া বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানের (ইয়াক-১৩০) ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছে নৌ বাহিনীর অভিযানকারী দল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক’র এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে এম শফিউল আজম।

জানা যায়, বিমানের ভগ্নাংশ খুঁজে পেতে বিমান বাহিনীর আধুনিক উদ্ধার জাহাজ ‘বলবান’ বিমানের ভাঙা অংশ উদ্ধারে কাজ চালিয়েছেন।

এছাড়াও বিমানটি খুঁজতে বিশেষ ‘সোনার সিস্টেম’ও ব্যবহার করা হয়েছিল। উদ্ধারকারীরা তিন ভাগে বিমানটি খুঁজছেন। যে জায়গায় বিমানটি পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে সেখানে লাল রংয়ের একটি বেলুন দিয়ে শনাক্ত করেছেন, সেখানে ডুবুরি দিয়ে খোঁজা হয়েছিলো।

অন্য একটি দল নদীর পাড়ে খোঁজ চালিয়েছিলেন। এছাড়া আরেকটি দল জহুরুল হক ঘাঁটিতে বসে সবকিছু মনিটরিং করছিলেন। অবশেষে নদীতে নৌ বাহিনীর ডুবুরি দল নামার এক ঘন্টার মধ্যে বিমানটি নদীতে সনাক্ত করে উপরে জাহাজে তুলতে সক্ষম হন বলে জানান নৌ বাহিনীর কর্মকর্তারা। উদ্ধারে সেনা, নৌ, বিমানসহ ফায়ার সার্ভিস এর লোকজন কাজ করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পতেঙ্গা এলাকার কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম বোট ক্লাবের ১১ নম্বর ঘাটের নতুন পতেঙ্গা টার্মিনালের অপর পাশে এইচএম স্টিল মিল প্রান্তে বিমানটি আঁছড়ে পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় যান্ত্রিক ক্রুটির ফলে আগুন লেগে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

এ সময় পাইলট উইং কমান্ডার মো. সোহান হাসান খাঁন, পিএসসি এবং স্কোয়াড্রন লীডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ জরুরী প্যারাসুট দিয়ে বিমান থেকে নদীতে নেমে পড়েন।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদেরকে উদ্ধার করে পতেঙ্গার বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে (নেভি হাসপাতাল) নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাইলট আসিম জাওয়াদ মারা যান।

অপর পাইলট মো. সোহান হাসান খান বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মৃত্যুকালে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের বয়স হয়েছিল ৩২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক কন্যা, এক পুত্র, বাবা-মা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions