কারাগারে বাড়ছে বন্দি-মৃত্যু, নেপথ্যে কী

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পেটি:- দেশের ৬৮টি কারাগারে বন্দির ধারণ ক্ষমতা মোট ৪৫ হাজার। সর্বশেষ মঙ্গলবারের (৮ সেপ্টেম্বর) তথ্য অনুযায়ী বন্দি ছিল প্রায় এক লাখ। এসব কারাগারে অ্যাম্বুলেন্স আছে মাত্র ২৩টি। সংকট রয়েছে চিকিৎসক ও নার্সেরও। কারাগারের ভেতরে হঠাৎ বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা স্ট্রোকের উপসর্গ দেখা দিলে একজন বন্দির পক্ষে নিজে থেকে উন্নত চিকিৎসা বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে না। চিকিৎসক পাওয়া, কারা হাসপাতাল থেকে রেফার করা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় এবং বাইরের হাসপাতালে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাটির ওপরই তাকে নির্ভর করতে হয়। চিকিৎসক ও নার্স সংকটের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা এবং ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দির চাপ যুক্ত হওয়ায় জরুরি চিকিৎসার সেই পথ অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘ হয়ে উঠছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাতে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। হৃদরোগ, স্ট্রোক, শ্বাসকষ্ট কিংবা অন্য কোনও গুরুতর জটিলতায় আক্রান্ত বন্দিকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়া না গেলে যে ‘গোল্ডেন টাইম’ জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ, তার একটি অংশ চলে যাচ্ছে প্রশাসনিক ও পরিবহন ব্যবস্থার টানাটানির মধ্যে। যে কারণে দেশের কারাগারগুলোতে বন্দিমৃত্যুর ঘটনা বেড়েই চলছে।

বেসরকারি সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশের কারাগারগুলোতে ৯৭ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬১ জন। অর্থাৎ আসকের হিসাবে একবছরের ব্যবধানে বন্দির মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) হিসাবে চলতি বছরের আট মাসে কারাবন্দি মারা গেছেন ৭৩ জন। তাদের এই পরিসংখ্যানের উৎস দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ।

অপরদিকে কারা অধিদফতরের তথ্যের পরিধি আরও বড়। অধিদফতরের হিসাবে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন কারাগারে ৩৯০ জন বন্দি মারা যান। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন।

৬৮ কারাগার, অ্যাম্বুলেন্স ২৩টি
দেশে বর্তমানে কারাগার রয়েছে ৬৮টি। বিপরীতে কারা অধিদফতরের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র ২৩টি। সব কারাগারের জন্য আলাদা অ্যাম্বুলেন্স নেই। কারা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকট সবচেয়ে বেশি বোঝা যায় গুরুতর অসুস্থ বন্দিকে কারাগারের বাইরে বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর সময়। নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স না থাকলে বিকল্প গাড়ির ব্যবস্থা করতে হয়। একইসঙ্গে নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং রোগী স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়ায় বাড়তি সময় লেগে যায়। এতে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়ার পাশাপাশি পথে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে পরিস্থিতি বদলাতে ৪৪টি নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

ভারপ্রাপ্ত কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘‘বর্তমানে কারা অধিদফতরের ২৩টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর আরও ৪৪টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কিছু পর্যবেক্ষণ নিষ্পত্তি হলে অনুমোদনের পর ক্রয় প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে।’’ তিনি বলেন, ‘‘আশা করছি, নতুন অ্যাম্বুলেন্সগুলো পাওয়া গেলে জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি হবে।’’

চিকিৎসকের পদ আছে, সংকটও আছে
কারা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ৬৮ কারাগারের জন্য চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৫১টি। কিন্তু নিয়মিত চিকিৎসক আছেন মাত্র ১০ জন। ডিপ্লোমা নার্সের সংকটও দীর্ঘদিনের। বিপুলসংখ্যক বন্দির বিপরীতে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা এবং রাতের জরুরি সেবা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত আইজি প্রিজন্সও চিকিৎসক ও নার্স সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘চিকিৎসক সংকট, নিয়মিত চিকিৎসক না থাকা এবং ডিপ্লোমা নার্সের ঘাটতির বাস্তব সীমাবদ্ধতার মধ্যেই কাজ করতে হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে সংকট কাটানোর চেষ্টা করছি। তবে চিকিৎসক নিয়োগ ও পদায়নের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় তাদের ওপর নির্ভর করতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে।’’

নার্স সংকট কিছুটা কমানোর উদ্যোগ হিসেবে সম্প্রতি সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে কারা অধিদফতরে ৫৫ জন ডিপ্লোমা নার্স নিয়োগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। নিয়োগ সংক্রান্ত বাকি প্রক্রিয়া শেষ হলে তারা বন্দিদের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত হবেন।

‘রাতে চিকিৎসার সংকট সবচেয়ে প্রকট’
মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটনের মতে, কারাগারে চিকিৎসক সংকট নতুন সমস্যা নয়— কিন্তু রাতের জরুরি চিকিৎসায় এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, “কারাগারে চিকিৎসক সংকট দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে রাতের বেলায় চিকিৎসাসেবা অত্যন্ত অপ্রতুল। কোনও বন্দি গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরের হাসপাতালে পাঠাতেও দেরি হয়। এর সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স সংকট যুক্ত হয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।’’ তিনি বলেন, ‘‘কারাগারে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীরও ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।’’ বিশেষ উদ্বেগের জায়গা হিসেবে তিনি গ্রেফতারের আগে বা গ্রেফতারের সময় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ থাকা ব্যক্তিদের কথাও উল্লেখ করেন। তার মতে, এমন কাউকে কারাগারে পাঠানোর পর যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা না হলে তার শারীরিক ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।

নূর খান লিটন বলেন, ‘‘কারাগারে অসুস্থ বন্দিদের রাখার জায়গাও সীমিত। একইসঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, কখনও কখনও প্রকৃত অসুস্থ নন— এমন বন্দিরা প্রভাব বা অর্থের বিনিময়ে কারা চিকিৎসাকেন্দ্রের সুবিধা পেয়ে থাকেন। এ ধরনের অনিয়ম হলে প্রকৃত অসুস্থ বন্দির চিকিৎসার সুযোগ সংকুচিত হয়ে যায়।’’

তিনি বলেন, ‘‘কারাবিধি সংস্কার, কারা হাসপাতালের আধুনিকায়ন, রাতের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং গুরুতর রোগীকে দ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন হবে না।’’

ধারণ ক্ষমতা ৪৫ হাজার, বন্দি আছে প্রায় ১ লাখ

চিকিৎসা সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে অতিরিক্ত বন্দির চাপ। কারা কর্তৃপক্ষের হিসাবে দেশের কারাগারগুলোর মোট ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৪৫ হাজার। অথচ বর্তমানে বন্দির সংখ্যা এক লাখের বেশি বলে জানিয়েছেন আইজি প্রিজন্স।

কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘‘কারাগারগুলোতে প্রায় ৪৫ হাজার বন্দি রাখার সক্ষমতা রয়েছে। সেখানে যদি প্রায় এক লাখ বন্দি থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রশাসনিক সমস্যা তৈরি হয়। চিকিৎসাসেবা যথাযথভাবে দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।’’

তিনি বলেন, ‘‘অতিরিক্ত বন্দির কারণে আবাসন, খাবার, স্যানিটেশন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ প্রতিটি ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়।’’ মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, একই জায়গায় ধারণ ক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত মানুষ থাকলে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে এবং হৃদরোগ, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত বন্দিদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণও কঠিন হয়ে পড়ে।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির মানবাধিকারকর্মী ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘‘বন্দি মৃত্যুর পেছনে একটি নয়,পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে।’’ তার মতে, অসুস্থ বন্দিকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে না পারা, হৃদরোগ, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগের অপর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত বন্দি, চিকিৎসক ও নার্স, ওষুধের সংকট, মানসিক চাপ এবং আত্মহত্যার ঝুঁকি যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে না পারা— সব মিলিয়েই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। এর সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের বিষয়গুলোও যুক্ত বলে মনে করেন তিনি।

ইজাজুল ইসলাম বলেন, “কারাগারে থাকা ব্যক্তির স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে, কিন্তু তার জীবন, মর্যাদা ও স্বাস্থ্যসেবার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক মৃত্যু শুধু প্রশাসনিক বিষয় নয়— এটি জীবনের অধিকার, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণ এবং স্বাস্থ্যসেবার অধিকারের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে হাজতিদের মৃত্যুর ঘটনা আরও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। কারণ বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত একজন হাজতি আইনের চোখে দোষী সাব্যস্ত নন।

তিনি বলেন, ‘‘কারাগারে প্রবেশের সময় প্রত্যেক বন্দির পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু রাখতে হবে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসা, পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স, ওষুধ ও অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করা এবং গুরুতর অসুস্থ বন্দিকে দ্রুত বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি মৃত্যুর কারণ স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে তদন্ত এবং কারাগারের স্বাস্থ্য ও মৃত্যুর তথ্য নিয়মিত প্রকাশের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বয়স ও মাদক সমস্যাও বড় চ্যালেঞ্জ

কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কারাগারে থাকা বন্দিদের প্রায় ৫০ শতাংশের বয়স ৪৫ বছর বা তার বেশি। ভারপ্রাপ্ত কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘‘এই বয়সে একজন মানুষের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। কারাগারের সীমিত পরিবেশ ও মানসিক চাপ সেই ঝুঁকিকে আরও বাড়াতে পারে।’’ তিনি বলেন, ‘‘কারাগারে আটক ব্যক্তিরা একটি বদ্ধ পরিবেশে থাকেন। স্বাধীনভাবে হাঁটাচলার সুযোগ সীমিত। মানসিক চাপও থাকে। ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।’’

কারা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কারাগারে থাকা বন্দিদের প্রায় ৩০ শতাংশ মাদকাসক্ত অথবা মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। মাদকাসক্ত বন্দিদের অনেকের ক্ষেত্রে সাধারণ শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি আসক্তি নিরাময় ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজন হয়। কিন্তু কারা হাসপাতালগুলোতে এ ধরনের সমন্বিত চিকিৎসার সক্ষমতা এখনও সীমিত।

বন্দিমৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, এক লাখের বেশি বন্দির বিপরীতে মৃত্যুর সংখ্যাকে শুধু মোট সংখ্যা দিয়ে মূল্যায়ন করলে হবে না। ভারপ্রাপ্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘‘যেকোনও মৃত্যুই অনাকাঙ্ক্ষিত। কারাগারগুলোতে বর্তমানে এক লাখের বেশি বন্দি রয়েছেন। সেই অনুপাতে মৃত্যুর সংখ্যা খুব বেশি বলে মনে হচ্ছে না। তবে আমরা কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু চাই না।’’

তিনি বলেন, ‘‘সীমিত সক্ষমতার মধ্যেও অসুস্থ বন্দিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজন হলে বন্দিকে কারাগারের বাইরে সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।’’ বাংলা ট্রিবিউন

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions