
আজগর আলী খান:- সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও তরুণদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজস্থলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল কাদির শুভর নির্দেশনায় এবং সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাজস্থলী সাব জোনের (৩৮ বীর) উদ্যোগে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে রাজস্থলী সাব জোন কমান্ডার মেজর হাফিজ আহমেদ সৈকত ও রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউছুপ হাসান স্থানীয় খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদীদের হাতে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেন। এর মধ্যে ফুটবল জার্সিসহ খেলাধুলার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী ছিল।
ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণকালে রাজস্থলী সাব জোন কমান্ডার মেজর হাফিজ আহমেদ সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পার্বত্য এলাকার মানুষের কল্যাণে নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সেনাবাহিনী। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা এবং তাদের সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যেই স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের উৎসাহিত করতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউছুপ হাসান, রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ হোসেন, ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা, গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পার্বত্য এলাকার তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পাশাপাশি নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি সামাজিকভাবে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।