শিরোনাম
চট্টগ্রামে জিইসি মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ভারতের সেনাপ্রধানের ‘মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার’ হুঁশিয়ারি, কড়া জবাব পাকিস্তানের চ্যালেঞ্জের বাজেটে কী থাকছে,অর্থ সংকট, বিদেশি ঋণের চাপ ১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার বিএনপি-জামায়াতের বিরোধিতা কি ‘লোকদেখানো’ চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে রাঙ্গামাট – চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ীকা বাস উল্টে দুর্ঘটনা, চালকের খামখেয়ালিপনার অভিযোগ বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে হাম-রুবেলার প্রকোপ: আক্রান্ত ৮৪ শিশু সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো: গনীউল আজম বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ রাঙ্গামাটিতে বিজ্ঞানমেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ক্ষুদে বিজ্ঞানী সুজন চাকমার ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ও ‘বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট’

রাঙ্গামাটিতে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১৯৭ দেখা হয়েছে

মোঃ কামরুল ইসলাম:- রাঙ্গামাটির লংগদুতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামী সাইদুল মিয়াকে (৩৭) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
​বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাঙ্গামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার গাউসপুর গ্রামের বাসিন্দা রানু আক্তারের সঙ্গে সাইদুল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সাইদুল বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। একাধিকবার পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও সাইদুলের নির্যাতন বন্ধ হয়নি।
​২০২০ সালের ২২ নভেম্বর রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনরায় কলহ সৃষ্টি হলে সাইদুল মিয়া তার স্ত্রী রানু আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনাটি আড়াল করতে তিনি মরদেহ বাড়ির পাশের কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবিয়ে রাখেন। পরদিন ২৩ নভেম্বর সকালে হ্রদের পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। সুরতহাল প্রতিবেদনে গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়ায় বিষয়টি হত্যাকাণ্ড হিসেবে স্পষ্ট হয়।
ঘটনার পরদিন ২৪ নভেম্বর ২০২০ সালে নিহতের পিতা চাঁন মিয়া বাদী হয়ে লংগদু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর বিচারিক কার্যক্রম চলে। আদালত ১২ জন সাক্ষী, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় আলামত পর্যালোচনা শেষে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।রায় প্রদানকালে আদালত পর্যবেক্ষণ দেন যে, যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধ সমাজে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি রুখতে কঠোর শাস্তির কোনো বিকল্প নেই।
​রাঙ্গামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাকসুদা হক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই রায় সমাজের জন্য একটি কড়া বার্তা। নারীর প্রতি সহিংসতা করে কেউ পার পাবে না। ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যায়বিচার পেয়েছে।​রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে পুলিশি পাহারায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions