শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, তবে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বহাল; কাপ্তাই বাঁধে পানি ছাড়ার প্রস্তুতি রাঙ্গামাটিতে বৃষ্টি থামলেও কাটেনি দুর্ভোগ: বন্যা ও পাহাড়ধসের ক্ষত নিয়ে ধুঁকছে মানুষ রাঙ্গামাটিতে বন্যা,পাহাড় ধস ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অত্যন্ত অপ্রতুল চাকরি হারাচ্ছেন হাইপ্রোফাইল ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা, আতঙ্কে ৩৩ ডিসি রাঙ্গামাটিতে সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ২ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার খাগড়াছড়িতে মাস্ক পরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আটক ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে ফ্রান্সে ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে তিন হাজার বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা ফের চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ রাখাইনে চরম উত্তেজনা,সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা,ফের রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা

রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, তবে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বহাল; কাপ্তাই বাঁধে পানি ছাড়ার প্রস্তুতি

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৮ দেখা হয়েছে

রাঙ্গামাটি:- টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি জনজীবন। বিভিন্ন উপজেলায় পানি নামতে শুরু করেছে, তবে নিচু এলাকা ও নদী-খাল সংলগ্ন বসতিতে এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে। একই সঙ্গে পাহাড় ধসের ঝুঁকি অব্যাহত থাকায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত লেকের পানি ১০৩.৯১ ফুট এমএসএলে পৌঁছেছে। উজানের ভারী বৃষ্টির কারণে পানি আরও বাড়ার আশঙ্কায় আগামী শনিবার সকাল ১১টার পর যেকোনো সময় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী গেট আরও খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পাঁচটি ইউনিট দিয়ে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এখন পাঁচটি ইউনিটই চালু রয়েছে। কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ২০৬ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ উৎপাদন। কর্মকর্তারা বলছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে উৎপাদন আরও বাড়তে পারে।
এদিকে সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকায় সড়ক, কৃষিজমি ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী মানুষকে সম্ভাব্য পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions