শিরোনাম
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত,ঝুলন্ত সেতু পানির নীচে,রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে পানি ১০৫.৩৬ ফুট, বিপৎসীমার ৩.৬৪ ফুট নিচে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: প্লাবিত নিচু এলাকা, কাপ্তাই বাঁধ খোলে দেয়ার দাবী স্থানীয়দের নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বরণ, বিএনপির উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রকল্পের মেয়াদ ১০ বছর ৯ বছরে শুরু হয়নি তিন স্কুলের কাজ, খরচ ৪৪৪ কোটি টাকা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ পার্বত্যমন্ত্রীর পার্বত্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন রাশেদুল হক মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভুটান রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাড়ছে হাম, শিশুকে কখন স্কুলে না পাঠানো ভালো?

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩০৭ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশুদের মধ্যে হঠাৎই বাড়ছে হাম। সংক্রমণ বৃদ্ধির খবর উদ্বেগ তৈরি করছে অভিভাবকদের মধ্যে। এখন অনেকেই দ্বিধায়—এই পরিস্থিতিতে কি সন্তানকে স্কুলে পাঠানো ঠিক হবে?

হাম: দ্রুত ছড়ায় এমন রোগ
হাম হলো একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে দিতে পারে, যা ঘণ্টা খানেক পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। স্কুলের মতো ভিড়পূর্ণ জায়গা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

স্কুলে সংক্রমণের ঝুঁকি কেমন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি কোনও শিশু হাম আক্রান্ত হয় এবং তা শনাক্ত না করা হয়, তাহলে এক ক্লাসরুমের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। কারণ, শিশুদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বেশি—একসাথে বসা, খেলা, খাবার ভাগাভাগি করা—সবই ঝুঁকি বাড়ায়।

তবে সব স্কুলই সমান ঝুঁকিপূর্ণ নয়। ঝুঁকি নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ে— শিশু টিকাপ্রাপ্ত কিনা; স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা; অসুস্থ শিশুকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা আছে কিনা।

হাম থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে হাম থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
টিকাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা

হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা। পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কম। যেসব শিশু এখনও টিকা নেয়নি বা অসম্পূর্ণ রয়েছে, তাদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এই ক্ষেত্রে অভিভাবকরা পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছুদিন স্কুলে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

কখন স্কুলে না পাঠানো ভালো?
শিশুর জ্বর, র‍্যাশ (লালচে দাগ), কাশি বা চোখ লাল হয়ে গেলে;

পরিবারের কারও হাম শনাক্ত হলে;

এলাকায় সংক্রমণ মারাত্মক হারে ছড়িয়ে পড়লে।

স্কুল ও অভিভাবকের করণীয়
স্কুল কর্তৃপক্ষ: অসুস্থ শিশুদের দ্রুত বাড়িতে পাঠানো; ক্লাসরুম নিয়মিত পরিষ্কার রাখা; হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা; অভিভাবকদের সচেতন করা।

অভিভাবকরা: অসুস্থ শিশুকে জোর করে স্কুলে না পাঠানো; টিকা সম্পন্ন করা; শিশুকে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস শেখানো।

হাম কি শুধু শিশুদের হয়, নাকি বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন?হাম কি শুধু শিশুদের হয়, নাকি বড়রাও আক্রান্ত হতে পারেন?
স্কুল বন্ধ করা দরকার কি?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ বাড়ছে বলে সব স্কুল বন্ধ করা সমাধান নয়। বরং নজর দিতে হবে সচেতনতা ও প্রতিরোধে। তবে কোনো এলাকায় সংক্রমণ মারাত্মক আকার নিলে সাময়িকভাবে স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

সর্বোপরি, হাম বেড়ে যাওয়ার এই সময়ে শিশুদের স্কুলে পাঠানো পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। তবে সঠিক সতর্কতা নিলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। মূল চাবিকাঠি: টিকা, সচেতনতা, এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। আতঙ্ক নয়, সচেতন সিদ্ধান্তই এখন সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions