শিরোনাম
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত,ঝুলন্ত সেতু পানির নীচে,রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে পানি ১০৫.৩৬ ফুট, বিপৎসীমার ৩.৬৪ ফুট নিচে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: প্লাবিত নিচু এলাকা, কাপ্তাই বাঁধ খোলে দেয়ার দাবী স্থানীয়দের নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বরণ, বিএনপির উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রকল্পের মেয়াদ ১০ বছর ৯ বছরে শুরু হয়নি তিন স্কুলের কাজ, খরচ ৪৪৪ কোটি টাকা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ পার্বত্যমন্ত্রীর পার্বত্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন রাশেদুল হক মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভুটান রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঈদে স্ত্রীকে গোস্ত খাওয়াতে না পারায় চিরকুট লিখে স্বামীর আত্মহত্যা!

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৭৪ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- জামালপুরের বকশীগঞ্জে স্ত্রীকে মাংস কিনে দিতে না পারায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন হাসান আলী (২৬) নামে এক যুবক।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের বান্দের পাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

হাসান আলী বান্দেরপাড় গ্রামের রহমত আলীর ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন।

পুলিশ জানায়, হাসান আলী প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার শশুরবাড়ি থেকে স্ত্রী আফরোজা বেগমকে নিজ বাড়িতে আনার কথা ছিল হাসানের। সকাল ১১টা পর্যন্ত শশুর বাড়িতে না যাওয়ায় তার স্ত্রী আফরোজা বেগম পাশের গ্রাম জোলা পাড়া থেকে স্বামী হাসানের বাড়িতে যান এবং ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। এসময় তিনি ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে হাসান আলীকে ঘরের আরার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় পাশে একটি চিঠি দেখতে পায় পুলিশ।

চিঠিতে হাসান আলী লিখেছেন, ‘মা-বাবা তোমরা ক্ষমা করে দিও। আমি মরার পরে আমার বৌ-বাচ্চাকে দেখে রেখো। আমি জানি আমার বৌ আমার সঙ্গে রাগ করছে। ঈদের জন্য সবাই গুছ (গোস্ত) খাইছে, কিন্তু আমি গুছ খাওয়াইতে পারি নাই। আমি আমার বৌয়ের মুখ ঈদের দিন বেজার দেখছি। যদি পারো আমাকে ক্ষমা করে দিও। ‘

তিনি আরও লিখেছেন, ‘তার স্ত্রী আফরোজা বেগমকে অনেক ভালোবাসেন তিনি। তাকে ও তার সন্তানকে দেখে রাখার জন্য নিজ বাবা-মার প্রতি অনুরোধ করেন। ‘

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান বলেন, অভাব-অনটনের কারণে ওই ব্যক্তি এমন কাজ করে থাকতে পারেন। পরিবারের আপত্তি না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions