শিরোনাম
চট্টগ্রামে জিইসি মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ভারতের সেনাপ্রধানের ‘মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার’ হুঁশিয়ারি, কড়া জবাব পাকিস্তানের চ্যালেঞ্জের বাজেটে কী থাকছে,অর্থ সংকট, বিদেশি ঋণের চাপ ১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার বিএনপি-জামায়াতের বিরোধিতা কি ‘লোকদেখানো’ চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে রাঙ্গামাট – চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ীকা বাস উল্টে দুর্ঘটনা, চালকের খামখেয়ালিপনার অভিযোগ বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে হাম-রুবেলার প্রকোপ: আক্রান্ত ৮৪ শিশু সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো: গনীউল আজম বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ রাঙ্গামাটিতে বিজ্ঞানমেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ক্ষুদে বিজ্ঞানী সুজন চাকমার ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ও ‘বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট’

অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত না নিলে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা সুবিধা বাতিল করবে যুক্তরা‌জ্য

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৯৯৫ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- যুক্তরাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ সতর্ক করে দিয়েছেন, অবৈধভাবে নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা সুবিধা বাতিল করা হবে। এই নীতি মূলত অবৈধ অভিবাসন ও ছোট নৌকায় আগমন ঠেকাতে লেবার সরকারের নতুন কৌশলের অংশ।

শাবানা মাহমুদ বলেন, যুক্তরাজ্যে ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া এবং অবৈধভাবে বসবাসকারী যেসব নাগরিককে তাদের নিজ দেশ ফেরত নিতে রাজি নয়, সেসব দেশের ওপর আমাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজনে ভিসা সুবিধা স্থগিত করা হবে।

প্রাথমিকভাবে ভারত, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ার নাম থাকলেও সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের নামও। কারণ, ২০২৪ সালের মে মাসে শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে যুক্তরাজ্য একটি নতুন প্রত্যাবর্তন চুক্তি সই করে। এর ফলে নির্বাসন প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে এবং সম্প্রতি ১০ জনেরও বেশি বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের নীতির কঠোরতা প্রমাণ করে, এবার শুধু হুঁশিয়ারি নয়, বাস্তব পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর দেশটি।

যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা জানান, ভারতীয়দের ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার হার সর্বাধিক। শুধু গত বছরই ৭ হাজার ৩৯৫ ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও সংখ্যা বেশি হলেও দেশটি সব নাগরিককে ফেরত নিতে অনীহা দেখাচ্ছে। অন্যদিকে নাইজেরিয়া সবচেয়ে বেশি অনাগ্রহী। যদিও গত বছরই ১ হাজারের বেশি নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ার ওপর এই নীতির চাপ স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের আগ্রাসী নির্বাসন কার্যক্রমে এসব দেশের পূর্ণ সহযোগিতা জরুরি। ইতোমধ্যে আটক কেন্দ্র বাড়ানো, নতুন কর্মী নিয়োগ এবং চার্টার্ড ফ্লাইটে নির্বাসন কার্যক্রম চালু করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions