শিরোনাম
জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফের ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া সরকারের ছয় মাস পূর্তি,কূটনৈতিক উত্তরণে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ এইচএসসিতে সাড়ে ১৩ লাখ আসন ফাঁকা, উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ? রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক বাঁচাতে অবৈধ দখলদারদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতভুক্তির দাবীতে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে চাকমা নেতৃবৃন্দ রাঙ্গামাটিতে বিভাগীয় সিদ্ধান্তের আগেই বদলি-পদায়ন? প্রশাসনিক এখতিয়ার ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন বিসিবির মিডিয়া কমিউনিকেশনস কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব হলেন রাঙ্গামাটির সাবেক ক্রিকেটার সায়েম রাঙ্গামাটির লংগদুতে ঝড়ে নৌকা ডুবে নিখোঁজ এক ব্যক্তি রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত না নিলে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা সুবিধা বাতিল করবে যুক্তরা‌জ্য

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০২৪ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- যুক্তরাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ সতর্ক করে দিয়েছেন, অবৈধভাবে নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা সুবিধা বাতিল করা হবে। এই নীতি মূলত অবৈধ অভিবাসন ও ছোট নৌকায় আগমন ঠেকাতে লেবার সরকারের নতুন কৌশলের অংশ।

শাবানা মাহমুদ বলেন, যুক্তরাজ্যে ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া এবং অবৈধভাবে বসবাসকারী যেসব নাগরিককে তাদের নিজ দেশ ফেরত নিতে রাজি নয়, সেসব দেশের ওপর আমাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজনে ভিসা সুবিধা স্থগিত করা হবে।

প্রাথমিকভাবে ভারত, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ার নাম থাকলেও সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের নামও। কারণ, ২০২৪ সালের মে মাসে শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে যুক্তরাজ্য একটি নতুন প্রত্যাবর্তন চুক্তি সই করে। এর ফলে নির্বাসন প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে এবং সম্প্রতি ১০ জনেরও বেশি বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের নীতির কঠোরতা প্রমাণ করে, এবার শুধু হুঁশিয়ারি নয়, বাস্তব পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর দেশটি।

যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা জানান, ভারতীয়দের ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার হার সর্বাধিক। শুধু গত বছরই ৭ হাজার ৩৯৫ ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও সংখ্যা বেশি হলেও দেশটি সব নাগরিককে ফেরত নিতে অনীহা দেখাচ্ছে। অন্যদিকে নাইজেরিয়া সবচেয়ে বেশি অনাগ্রহী। যদিও গত বছরই ১ হাজারের বেশি নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ার ওপর এই নীতির চাপ স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের আগ্রাসী নির্বাসন কার্যক্রমে এসব দেশের পূর্ণ সহযোগিতা জরুরি। ইতোমধ্যে আটক কেন্দ্র বাড়ানো, নতুন কর্মী নিয়োগ এবং চার্টার্ড ফ্লাইটে নির্বাসন কার্যক্রম চালু করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions