শিরোনাম
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত,ঝুলন্ত সেতু পানির নীচে,রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে পানি ১০৫.৩৬ ফুট, বিপৎসীমার ৩.৬৪ ফুট নিচে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: প্লাবিত নিচু এলাকা, কাপ্তাই বাঁধ খোলে দেয়ার দাবী স্থানীয়দের নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বরণ, বিএনপির উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রকল্পের মেয়াদ ১০ বছর ৯ বছরে শুরু হয়নি তিন স্কুলের কাজ, খরচ ৪৪৪ কোটি টাকা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ পার্বত্যমন্ত্রীর পার্বত্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন রাশেদুল হক মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভুটান রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ

ধেয়ে আসছে গ্রহাণু, ধ্বংস হয়ে যেতে পারে ঢাকাও!

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৩৮৩ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- নাসা সম্প্রতি এক নতুন গ্রহাণু আবিষ্কার করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘২০২৪ওয়াইআর৪’। গত বছর ২৭ ডিসেম্বর গ্রহাণুটি বিজ্ঞানীদের চোখে প্রথম পড়ে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণু ক্রমশ পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে এবং ২০৩২ সালে এটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে। তবে এর বিপদ ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম, প্রায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ। তবুও বিজ্ঞানীরা একে পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে, তবে গোটা একটি শহর নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। এই বিপদ-তালিকায় কলকাতা, মুম্বাই, ঢাকার মতো জনবহুল শহরগুলোও রয়েছে। নাসা জানায়, গ্রহাণুটির গতিপথ পূর্ব প্রশান্তমহাসাগরীয় এলাকা, দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর অংশ, আফ্রিকা, আরব সাগর ও দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।

গ্রহাণুটির আকার আনুমানিক ১৩০-৩০০ ফুট চওড়া, যা বিশাল। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি পৃথিবীর কাছাকাছি আসার আগেই মাঝপথে ফেটে যেতে পারে, যার ফলে ৮ মেগাটন টিএনটি বিস্ফোরণের সমান শক্তি উৎপন্ন হবে। এই শক্তি এতটাই বিপুল যে এটি একটি শহরকে নিশ্চিহ্ন করতে পারে। বিজ্ঞানীরা একে ‘সিটি-কিলার’ বলে অভিহিত করেছেন।

তবে নাসা আশাবাদী, কারণ এরকম অনেক মহাজাগতিক বস্তু আগে পৃথিবীকে বিপদে ফেলতে চেয়েছিল, কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেগুলো বিপদ তৈরি করতে পারেনি। গ্রহাণুটিকে প্রথমে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্টেরয়েড ওয়ার্নিং নেটওয়ার্ক’-এর দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখা যাবে এপ্রিল মাস পর্যন্ত, তারপর এটি দৃষ্টির বাইরে চলে যাবে এবং ২০২৮ সালে আবার দেখা যাবে। তথ্য: আনন্দবাজার, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions