
রাঙ্গামাটি:- রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি কমতে থাকায় ছয়দিন পর পর্যটনের আইকন ঝুলন্ত সেতু থেকে পানি সরে সেতু দৃশ্যমান হয়েছে। শুক্রবার সকালে সেতুটির পাটাতন থেকে পানি নেমে পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে। তবে এখনো পানি পাটাতন ছুঁয়ে থাকায় এবং উজান থেকে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় কর্তৃপক্ষ পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রেখেছে। গত শনিবার সেতুটি হ্রদের পানিতে ডুবে যায়।
পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, পানি সেতু থেকে নেমে গেলেও এখনো পাটাতন ছুঁয়ে আছে। উজান থেকে এখনো পাহাড়ি ঢল নামছে, পানি আরো একটু কমে গেলে তখনই আমরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পর্যটকদের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দিবো। এখন সেতুতে ঘষামাজার কাজ চলছে।
কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর কমতে থাকায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট আরো এক ফুট কমিয়ে বর্তমানে এক ফুট উচ্চতায় খোলা রাখা হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ১৮ হাজার কিউবিক পানি কাপ্তাই হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে নিস্কাষিত হচ্ছে। এছাড়া কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে পাঁচটি ইউনিট চালু রেখে আরো ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নির্গত হচ্ছে।
কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, উজান থেকে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত রয়েছে। তবে হ্রদে পানি ধীরে ধীরে কমতে থাকায় বাঁধের গেট আরো এক ফুট কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জলকপাট এক ফুট খোলা রয়েছে। সকাল ৯টায় হ্রদের পানির স্তর ১০৫.২০ ফুট এমএসএল। কাপ্তাই হ্রদে সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। পানি আরো কমে আসলে গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।