
মাঝে মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়, শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির তারকাদের ছবি বা ভিডিও প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের (এআই) মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো এখন নতুন কিছু নয়। গত আগস্টেই এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।
বিব্রতকর এ পরিস্থিতির রেশ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ফের একই ঘটনা ঘটল। অভিনেতা অপূর্বর ছবি ব্যবহার করে বিতর্কিত রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। যা ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে জানিয়েছেন এ তারকা।
গত কয়েকদিন ধরে ‘দৈনিক প্রতিবেদন’সহ কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে অভিনেতা অপূর্বর নাম ও ছবি ব্যবহার করে বিতর্কিত রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। যা দৃষ্টি এড়ায়নি স্বয়ং অভিনেতারও। ফলে এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন তিনি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে ভুয়া ফটোকার্ডগুলো শেয়ার করেন তিনি।
অভিনেতা অপূর্বর শেয়ার করা ভুয়া ফটোকার্ডগুলোর একটিতে লেখা আছে, ‘স্বৈরাচার তাড়াতে রাস্তায় নামলাম আর আজ প্রশ্ন জাগে, সত্যিই কি স্বৈরাচার বিদায় হলো নাকি আরও বড় স্বৈরাচারের হাতে পড়লাম।’ আবার অন্য একটি ফটোকার্ডে লেখা, ‘কোথাও স্বাধীনতা নেই। সব সময় ভয়ে থাকি কখন যে জীবনটাই শেষ হয়ে যায়। তাহলে কি আগের স্বৈরাচারই ভালো ছিল?’
এসব ফটোকার্ডের বক্তব্যগুলো তার নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন এ অভিনেতা। আর এ ধরনের ভুয়া সংবাদ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। অপূর্ব এ ব্যাপারে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এ ধরনের ভুয়া নিউজ ও বিবৃতি প্রকাশে বিরত থাকুন। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, এর আগে গত আগস্টে প্রায় সাত মাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পর দেশে ফিরে একমাত্র সন্তানকে সারপ্রাইজ দেয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই ভিডিওতে বাবা-ছেলের স্নেহ-ভালোবাসার মুহূর্ত ফুটে উঠে। কিন্তু সেটিকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষ মিথ্যা ও নোংরা চর্চা শুরু করেন। তখনও ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছিল, ফলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন অপূর্ব।