শিরোনাম
জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফের ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া সরকারের ছয় মাস পূর্তি,কূটনৈতিক উত্তরণে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ এইচএসসিতে সাড়ে ১৩ লাখ আসন ফাঁকা, উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ? রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক বাঁচাতে অবৈধ দখলদারদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতভুক্তির দাবীতে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে চাকমা নেতৃবৃন্দ রাঙ্গামাটিতে বিভাগীয় সিদ্ধান্তের আগেই বদলি-পদায়ন? প্রশাসনিক এখতিয়ার ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন বিসিবির মিডিয়া কমিউনিকেশনস কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব হলেন রাঙ্গামাটির সাবেক ক্রিকেটার সায়েম রাঙ্গামাটির লংগদুতে ঝড়ে নৌকা ডুবে নিখোঁজ এক ব্যক্তি রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

৩ সন্তান নিয়ে লন্ডন যাওয়া হলো না চিকিৎসক দম্পতির, কাঁদছে সোশ্যাল মিডিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ২৫৬ দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর ভারতের আহমেদাবাদের ধ্বংসস্তূপের কোথাও চাপা পড়ে আছে রাজস্থানের এক পরিবারের একটি মোবাইল ফোন। সেই ফোনটি হয়তো আর কখনও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

হয়তো ফোনটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে সেই ফোনে তোলা একটি সেলফি রয়ে গেছে ২৪২ জন আরোহীর ওপর নেমে আসা মর্মান্তিক ঘটনার এক নীরব সাক্ষ্য হয়ে। ছবিটি ছিল ওই পরিবারের জন্য নতুন এক জীবনের সূচনা।

উদয়পুরের এক হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করা কোমি ভায়াস তার চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিন সন্তান নিয়ে লন্ডনে স্বামী প্রতীক যোশির কাছে চলে যাচ্ছিলেন। তাদের মুখে যে আনন্দের ঝিলিক ছিল, তা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনার শিকার ওই উড়োজাহাজে চিকিৎসক যোশির তোলা সেলফিতে দেখা যায়, তিনি এবং তার স্ত্রী এক পাশে বসে হাসছেন, আর তাদের ছোট যমজ ছেলে দুটি ও বড় মেয়ে উল্টো পাশের আসনে বসে আছে। ছেলেরা ক্যামেরার সামনে হাসার জন্য যতটা সম্ভব চেষ্টা করছে, আর বড় মেয়েটি উজ্জ্বল মুখে হাসছে।

পরিবারের ঘনিষ্টরা জানান, চিকিৎসক কোমি ভায়াস ও প্রতীক যোশি দম্পতি উদয়পুরের প্যাসিফিক হাসপাতালে কাজ করতেন। যোশি কিছুদিন আগে লন্ডনে চলে যান।

এই সপ্তাহের শুরুতে রাজস্থানের বংশওয়াড়ায় ফিরে এসে পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন যোশি। দম্পতির যমজ ছেলে নকুল ও প্রদ্যুতের বয়স ছিল পাঁচ বছর। আর তাদের মেয়ে মিরায়ার বয়স ছিল আট।

চিকিৎসক দম্পতি ও তাদের তিন সন্তানের এই করুণ পরিণতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা দুঃখে ভাসছেন। সেই সেলফি শেয়ার দিয়ে তাদের অনেকে বলছেন, মাত্র কয়েক মুহূর্তেই সব স্বপ্ন ছাই হয়ে গেল। জীবন কতটা ভঙ্গুর—তাই মনে করিয়ে দেয় এই করুণ মৃত্যু।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions