শিরোনাম
কক্সবাজার ও নওগাঁয় সাত খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে : পার্বত্যমন্ত্রী রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির দুর্গম পাহাড়ি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট বান্দরবানে উজাড় হচ্ছে পাড়াবন, কাটা পড়ছে শতবর্ষী গাছ রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি হ্রাস পাওয়ায় একটি ইউনিট থেকে সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন পাকিস্তানের অনুরোধে মুহূর্তে বদলে গেলেন ট্রাম্প, ইসলামাবাদের লাভ, ভারতের জন্য কী বার্তা ঢাকার ৪০টি ও দেশের ৪০০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫জি সেবা চালু ফেডারেশন কাপে বসুন্ধরা কিংসের দাপুটে জয় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ইরান ও বাংলাদেশ, ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে ইরানী দূতাবাসের সতর্কতা

দেশ ছাড়ার আগে যা বলতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৬২ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- কোটা সংস্কার আন্দোলনের গণজোয়ারে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। গত ৫ আগস্ট গণআন্দোলনে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বিভিন্ন সময়ে নানা কথা বললেও নীরব ছিলেন শেখ হাসিনা।

পালিয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে রেডিও-টেলিভিশনে ভাষণ দেওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছিলেন- দীর্ঘ নয়, অল্প সময় কথা বলবেন তিনি।
কিন্তু পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং সেনাপ্রধানের অনাগ্রহে সে সুযোগ পাননি শেখ হাসিনা। তখন তাকে বলা হয়, চারদিকে লোকজন জড়ো হয়ে গেছে। সবাই মারমুখো। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা গণভবনে পৌঁছে যেতে পারে।
তার নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাকে সে সুযোগ দেওয়া যাবে না। হাসিনা বিরক্ত, ক্ষুব্ধ। কিন্তু কিছুই করার ছিল না। বক্তৃতার একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন তিনি।

সূত্রে জানা যায়, এতে তিনি বলতে চেয়েছিলেন- তার ইচ্ছায় নয়, বলপূর্বক তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। কারা এবং কোন বিদেশি শক্তি তার সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছে এটাও তিনি দেশবাসীকে জানাতে চেয়েছিলেন। তার শাসনকালে দেশের কী কী উন্নয়ন হয়েছে তারও বয়ান ছিল। সকাল থেকে দুপুর, এ সময় নানাভাবে দর-কষাকষিও চলছিল। বারবার ফোন আসছিল নয়াদিল্লি থেকে।
বলা হচ্ছিল, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়।

ঢাকার তরফে দিল্লিকে বলা হয়েছিল- তারা যেন বিমান পাঠিয়ে হাসিনাকে নিয়ে যান। সে অনুরোধে সাড়া দেয়নি দিল্লি। এরপর বাংলাদেশের স্ব-উদ্যোগে বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ বিমানে তাকে দিল্লি পাঠানো হয়। হাসিনাকে বহনকারী বিমানে আরো দুজন ছিলেন। তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

এই সময়েই গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খবর আসে যে বিপুল পরিমাণ জনতা গণভবনের দিকে আসছেন। ৪৫ মিনিটের মধ্যে গণভবন ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে বলা হয়। এর কিছুক্ষণ পর তেজগাঁওয়ের পুরনো বিমানবন্দরের হেলিপ্যাডে যান হাসিনা। সেখানে তাদের কিছু জিনিসপত্র চপারে ওঠানো হয়। এরপর পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারে দেশ ছাড়েন হাসিনা।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions