শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, তবে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বহাল; কাপ্তাই বাঁধে পানি ছাড়ার প্রস্তুতি রাঙ্গামাটিতে বৃষ্টি থামলেও কাটেনি দুর্ভোগ: বন্যা ও পাহাড়ধসের ক্ষত নিয়ে ধুঁকছে মানুষ রাঙ্গামাটিতে বন্যা,পাহাড় ধস ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অত্যন্ত অপ্রতুল চাকরি হারাচ্ছেন হাইপ্রোফাইল ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা, আতঙ্কে ৩৩ ডিসি রাঙ্গামাটিতে সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ২ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার খাগড়াছড়িতে মাস্ক পরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আটক ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে ফ্রান্সে ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে তিন হাজার বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা ফের চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ রাখাইনে চরম উত্তেজনা,সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা,ফের রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা

মর্টারশেলের শব্দে কাঁপছে টেকনাফ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪
  • ৩৩৯ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার থেকে ফের মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে। বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তের এপারে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন সৃষ্টি হচ্ছে। এ পরিস্তিতিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড।

দুই পক্ষের মর্টারশেল ও গোলার বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। মিয়ানমারের দেশের আকাশসীমায় উড়ছে যুদ্ধবিমান। এতে ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের দুই দ্বীপের বাসিন্দারা।

বুধবার (১২ জুন) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থেমে থেমে মিয়ানমারের ভারী গোলা ও মর্টারশেলের শব্দে শাহপরীর দ্বীপ এবং সেন্টমার্টিন কেঁপে উঠেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সাবারাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসনাইন বলেন, সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার থেকে ফের মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে। বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তের এপারে টেকনাফ সাবারাং শাহপরীর দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, দ্বীপের পূর্বে চলমান যুদ্ধে মিয়ানমারের রাখাইন মংডুতে হাসসুরাতা ও মেরুল্ল্যা গ্রামে ব্যাপক মর্টার শেলের শব্দ হচ্ছে। ওপারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছে এপারের বাড়ির উঠান। এছাড়া সে দেশের আকাশে যুদ্ধবিমানও দেখা গেছে। জলসীমায় সে দেশের জাহাজ দেখা যাচ্ছে।

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের দিকে গুলি চালানোর কারণে সাত দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ফলে ওষুধ, খাবার ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটে পড়েছেন দ্বীপের প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দা। তবে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে চলাচলের বিকল্প রুট খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সকালে খাবার ও পন্যবাহি দুটি জাহাজ টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, সারারাত মিয়ানমার থেকে ফের মর্টারশেল ও গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাটছে না।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions