বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ এক পোস্টে কংগ্রেস নেতা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের
ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩০
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোটেক রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে তার মৃত্যুতে এই আসনগুলির তফসিল নতুন করে ঘোষণা করতে হবে কি না, তা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ দুপুর ২ টা ৫ মিনিটে তার ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি মাকে নিয়ে কিছু আবেগময় কথা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার জাতিসংঘের অফিস এক শোক বার্তায় বলেছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর আপসহীন
ঢাকা: খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে, দাফন জিয়াউর রহমানের পাশে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে একটি অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। তিনি যে আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, সেখানেই বিজয়ী হয়েছেন। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি