শিরোনাম
সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়ায় বাকস্বাধীনতা হরণের ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে: টিআইবি ভারতের সঙ্গে করা ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, দেশের স্বার্থবিরোধী হলেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত : চিফ হুইপ খাগড়াছড়িতে আগুনে ওষুধের গোডাউনসহ পাঁচ দোকান পুড়ে ছাই রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট খুলে আবারও ছাড়া হচ্ছে পানি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি গঠন, গেজেট প্রকাশ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান মিয়ানমারের পরিস্থিতি আইসিসিতে পাঠানোর আহ্বান জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক গ্রুপ নিয়ে হাসিনার ফেরার পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সম্বোধনে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করার নির্দেশ রাঙ্গামাটির পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস উপলক্ষে পিসিসিপি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভারতের সঙ্গে করা ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, দেশের স্বার্থবিরোধী হলেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত : চিফ হুইপ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তিতে দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা যাচাই করে শিগগিরই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।ই-পেপার সাবস্ক্রাইব করুন

চিফ হুইপ বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে, তবে সেই বন্ধুত্ব কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি করা হয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় পাওয়া গেলে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রসঙ্গ তুলে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, আগের সরকার এমন কিছু ব্যবস্থা ও চুক্তি করে গেছে, যেখানে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধুদেশের দুটি জাহাজ একই সময়ে বন্দরে এলে বন্ধুদেশের জাহাজ আগে খালাস করার সুযোগ রাখা হয়েছিল। দেশের স্বার্থবিরোধী এ ধরনের অসংখ্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার।

বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি; বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি জানান, নয় কার্যদিবসের এ অধিবেশনে মোট ছয়টি বিল পাস হয়েছে। সংসদ সদস্যদের ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

সম্পত্তি হস্তান্তরসংক্রান্ত বিল প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, এ বিলের মাধ্যমে মা-বাবা জীবদ্দশায় সন্তানকে সম্পত্তি দান করার পরও সেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিলটির বিরোধিতা করে বিরোধী দলের নেতারা ওয়াকআউট করায় সরকারি দলের সদস্যরা মর্মাহত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, নতুন একটি ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগে। আগের সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়ার মাধ্যমে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। বর্তমান সরকার আগের সরকারের করা দায়মুক্তির ব্যবস্থা বাতিল করেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions