শিরোনাম
রাঙ্গামাটির জুরাছড়িতে নৌকাডুবি: সেনা সহযোগিতায় ১১ নারী ও শিশুকে উদ্ধার মির্জা আজমের আত্মীয় পরিচয়ে চলা সেই ফ্যাসিস্ট সাংবাদিক যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বিটে রাঙ্গামাটির নিয়োগে ৬৬ বনাম ৩৩, সাম্প্রদায়িক বিভাজনের অভিযোগে জেলা প্রশাসক “আদিবাসী” শব্দের স্বীকৃতি এবং বিরোধিতার মূল কারণ রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে চিৎমরমে মারমাদের জল উৎসব, উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ — পার্বত্য মন্ত্রী বছরে একদিন এক সুতোয় ‘প্রেমের’ মালা গাঁথেন তারা ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যে মেলায় পুরুষের প্রবেশ নিষেধ, কোটি টাকার বেচাকেনা পাহাড়ে শুরু হচ্ছে বৈসাবি উৎসব: বিঝু দিয়ে সূচনা, সাংগ্রাইয়ে সমাপ্তি—ভিন্ন নামে একই আনন্দ

মির্জা আজমের আত্মীয় পরিচয়ে চলা সেই ফ্যাসিস্ট সাংবাদিক যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বিটে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ দেখা হয়েছে

শাহ মো: রাশেদুর রহমান ইমন। মিডিয়ায় পরিচিত শাহ ঈমন নামে। যাকে ফাইল ঈমনও বলা হয়। কারণ মাইক্রোফোনের আগে চলে তার তদবিরের ফাইল। নিউজের চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ধান্দা করাই যার মুল টার্গেট। তারচেয়েও বড় কথা সে একজন ফ্যাসিস্ট সাংবাদিক। রয়েছে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্টতা। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি পরিচয়ে সচিবালয় ও গণপূর্ত দাপিয়ে বেড়তো, রয়েছে ঠিকাদারি ব্যবসাও।

মির্জা আজমের আস্থাভাজন সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলো ইমন। ছিলো তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক। একসাথে করতো ঠিকাদারি ব্যবসাও। জামালপুরে বাড়ি হওয়ায় ইমন পরিচয় দিতো মির্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি হিসেবে। শুধু তাই নয়। ইমনের ঘনিষ্টতা রয়েছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সাবেক সেনা কর্মকর্তা র‍্যাবের জিয়াউল আহসানের সাথেও। ছিলো তার শুভাকাঙ্খি ও আস্থাভাজন সাংবাদিক।

আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এই সাংবাদিক আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মীদের থেকেও বেশি জপতেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। যে কোনো কিছুতেই জয় বাংলা স্লোগান তুলে ত্রাস তৈরি করতো সে। এমনকি আওয়ামী লীগ, মির্জা আজমের দাপট দেখিয়ে যখন তখন যাকে তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিতো সে। তার রোশানলে পড়েছিলো বন্ধু, সহকর্মী অনেকেই।

দেশটিভি ও চ্যানেল ওয়ানে মাত্র কয়েক বছর সাংবাদিকতা করেই হয়ে যান ব্যবসায়ী। নিজের নামে ঠিকদারি লাইসেন্স করে আওয়ামী লীগের সময়ে বিভিন্ন দপ্তরে ফ্যাসিস্ট মির্জা আজমের প্রভাব খাটিয়ে করেছেন ঠিকাদারি ব্যবসা। নিজেকে পরিচয় দিতেন মীর্জা আজমের আত্মীয় ও সহকারি হিসেবে। মির্জা আজমের সাথেও ছিলো ঠিকাদারি ব্যবসা। পরিচয় দিতো সাবেক ছাত্রলীগ হিসেবে।

আওয়ামী লীগ পতনের পর সেই আওয়ামী ধান্দাবাজ আবারো ফিরেছে সাংবাদিকতায়। নানা কূটকৌশলে প্রথম সারির নিউজ চ্যানেল ডিবিসি নিউজে চাকরি নিয়েছে। পল্টি মেরে এখন বিএনপিপন্থী সাংবাদিক সাজার চেষ্টায় ঈমন।

ডিবিসিতে চাকরি শুরু করেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিট। মুখোশ পড়ে মির্জা আজম ও র‍্যাবের জিয়ার আস্থাভাজন এই সাংবাদিকে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বিটেও।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা ও মন্ত্রী এমপিদের সাথে ছিলো সু সম্পর্ক। ৫ ই আগস্টের পর নিজের ফেসবুক থেকে মুছে ফেলে আওয়ামী সম্পৃক্ততার দীর্ঘ দিনের সব ছবি ও তথ্য। যেখানে মির্জা আজমসহ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মন্ত্রী এমপি ও নেতাদের সাথে তার ঘনিষ্টতার প্রমান ছিলো। ঈমনের বিষয়ে এলাকায় খোজ খবর নিলে তার ও তার পরিবারের সাথে মির্জা আজম এবং আওয়ামী সম্পৃক্ততার বিষয়ে বেড়িয়ে আসবে।

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি নেতাদের সাথে সম্পর্ক তৈরিতে নামে ইমন। সাংবাদিকতার সুযোগে বিভিন্ন নেতাদের সাথে ছবি তুলে তা প্রচার করে বিএনপি সাজার চেষ্টা চালাচ্ছে ইমন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions