শিরোনাম
খাগড়াছড়িেতে ১১ প্রার্থীর মধ্যে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় ওয়াদুদ ভূইয়াকে দেখতে চান পার্বত্যবাসী; দেশব্যাপী কল্যাণে ভূমিকার প্রত্যাশা নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩২ দুর্গম কেন্দ্র থেকে হেলিকপ্টারে করে ফিরছে ভোটের সরঞ্জাম ও কর্মকর্তারা পার্বত্য তিন জেলায় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটের গরমিল খাগড়াছড়ি আসনে পোস্টাল ভোটে সর্বোচ্চ পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা রাঙ্গামাটিতে ১,২৮৩ ভোটার কোনো প্রার্থীকে ভোট দেননি,গণভোটে অংশ নিলেও সংসদ নির্বাচনে ব্যালট জমা দেননি রাঙ্গামাটির রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়: দীপেন দেওয়ানের উত্থান, সংগ্রাম ও বিজয়ের গল্প বান্দরবানে দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত রাঙ্গামাটিতে সাত প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

খাগড়াছড়িেতে ১১ প্রার্থীর মধ্যে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩ দেখা হয়েছে

খাগড়াছড়িে:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনকালীন প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় ৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপরদিকে ৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসীমা অতিক্রম করে জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩,৪৩,৫৫৯টি। বিদ্যমান নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক অষ্টমাংশ হতে হয়। সে হিসেবে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ভোটসংখ্যা দাঁড়ায়- ৪২,৯৪৫ ভোট।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- উশেপ্রু মারমা- ১০৩০ ভোট, জিরুনা ত্রিপুরা- ৯০৪ ভোট, দীনময় রোয়াজা- ৭৫৫ ভোট, মিথিলা রোয়াজা- ১০২৪ ভোট, মো. কাউছার- ৩০৮৯ ভোট, নুর ইসলাম- ৬৮৩ ভোট, মোস্তফা- ১৮৪ ভোট। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, উল্লিখিত প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট প্রয়োজনীয় সীমার তুলনায় অত্যন্ত কম, যা মোট বৈধ ভোটের খুব সামান্য অংশ।
অন্যদিকে ৪ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসীমা অতিক্রম করে জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন- এরা হলেন বিজয়ী প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া- ১৫১০৪০ ভোট, ধর্মজ্যোতি চাকমা- ৬৮৩১৫ ভোট, এয়াকুব আলী চৌধুরী- ৫৮৫৪৫ ভোট, সমীরন দেওয়ান- ৪৭৯১০ ভোট।
ভোটের ব্যবধানে দেখা যায়, শীর্ষ প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও অপর প্রার্থীদের ভোটসংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিল।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বহুমাত্রিক। তবে ফলাফল পর্যালোচনায় স্পষ্ট হয়েছে যে, ভোটারদের বড় অংশ কয়েকজন প্রধান প্রার্থীর দিকেই ঝুঁকেছেন। এর ফলে অধিকাংশ প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
আইন অনুযায়ী, জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীদের নির্বাচনী আমানত রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ফলাফল ভবিষ্যৎ নির্বাচনে প্রার্থীদের সাংগঠনিক শক্তি, জনভিত্তি ও নির্বাচনী কৌশল পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত বহন করছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions