
ডেস্ক রির্পোট:- বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনে দেশের মানুষকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই নির্বাচন শুধু নির্বাচন নয়। এই নির্বাচন নিশ্চিত করবে আগামী দিনে এই দেশে মানুষের জবাবদিহিমূলক সরকার হবে, কি হবে না। এই নির্বাচনের ব্যাপারে অত্যন্ত সিরিয়াস থাকতে হবে। এই নির্বাচন দিক-নির্দেশনা দেবে দেশ কোন দিকে পরিচালিত হবে।’
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেভাবেই হোক দুর্নীতির টুটি চেপে ধরতে হবে। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী তারেক রহমান। জনসভা মঞ্চে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জোবাইদা রহমান।
দেশকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী দিনে আমরা সরকার গঠন করলে শুধু বগুড়ার কথা চিন্তা করলে হবে না, গোটা দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বগুড়াবাসীকে সমগ্র দেশের কথা চিন্তা করতে হবে। অপনাদেরকে সমগ্র দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে।’
বগুড়াকে ‘নিজের ঘর’ অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘নিজের ঘরে এসে কী বলব তাল হারিয়ে ফেলেছি। নিজেও অনেকটা ইমোশনাল হয়ে গেছি। ঘরের মানুষের কাছে তো বলাবার কিছু নেই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘১৯ বছর আগে যখন এখানে এসেছিলাম, সেদিন বগুড়া সদরসহ সমগ্র জেলার মানুষের জন্য যে যে কাজগুলো করার দরকার ছিল, তা কমবেশি করার চেষ্টা করেছি। সরকারের আইন-কানুন, নীতি-রীতির মধ্য থেকে যতটুকু সম্ভব হয়েছে, তা করার চেষ্টা করেছি। বনানী-মাটিডালি চওড়া রাস্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ এবং গ্যাসের লাইনসহ মানুষের জন্য যা যা প্রয়োজন, এ রকম বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার চেষ্টা করেছি।’
সরকারে গেলে চাকরি-বাকরি ,ব্যবসা-বাণিজ্য—সবকিছুই যোগ্যতার ভিত্তিতেই হবে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা চাইব না অন্যরা কেউ আমাদেরকে বিতর্কিত অবস্থায় ফেলুক’। আমরা বগুড়ার নাম খারাপ করতে চাই না।
‘বগুড়ার ন্যায্য অধিকার অবশ্যই বগুড়া পাবে। তবে আমরা আমাদের অধিকার আদায় করতে গিয়ে খেয়াল রাখো, অন্যের অধিকার যাতে নষ্ট না হয়। ন্যায্য অধিকার থেকে কাউকে যাতে আমরা বঞ্চিত না করি।’—উল্লেখ করেন তিনি।