শিরোনাম
কক্সবাজার ও নওগাঁয় সাত খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে : পার্বত্যমন্ত্রী রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির দুর্গম পাহাড়ি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট বান্দরবানে উজাড় হচ্ছে পাড়াবন, কাটা পড়ছে শতবর্ষী গাছ রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি হ্রাস পাওয়ায় একটি ইউনিট থেকে সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন পাকিস্তানের অনুরোধে মুহূর্তে বদলে গেলেন ট্রাম্প, ইসলামাবাদের লাভ, ভারতের জন্য কী বার্তা ঢাকার ৪০টি ও দেশের ৪০০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫জি সেবা চালু ফেডারেশন কাপে বসুন্ধরা কিংসের দাপুটে জয় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ইরান ও বাংলাদেশ, ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে ইরানী দূতাবাসের সতর্কতা

রিজার্ভ কমে দুই হাজার কোটি ডলারের নিচে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৯৬ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ২০ বিলিয়ন বা দুই হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে গেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, গত বুধবার দেশের রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.৮৯ বিলিয়ন বা এক হাজার ৯৮৯ কোটি মার্কিন ডলারে। এদিন মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। গত বছরের এই সময়ে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১.১৮ বিলিয়ন বা তিন হাজার ১১৮ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এমনটাই জানা গেছে। ঈদের আগে গত ৮ এপ্রিল বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভ ছিল ২০.১০ বিলিয়ন বা দুই হাজার ১০ কোটি ডলার। আর ওই দিন মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গত ১০ দিনে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমেছে দুই কোটি ১০ লাখ ডলার।

এই হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা প্রকাশ করা হয় না। তবে আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ ঋণ নেওয়ার কার্যক্রমের মধ্যে থাকায় ওই হিসাবটি তাদের জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আইএমএফের ঋণচুক্তি অনুযায়ী, প্রতি তিন মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ নিট রিজার্ভ সংরক্ষণ করতে হবে। সেই হিসাবে দেশের ব্যবহারযোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে।

একটি দেশের প্রকৃত রিজার্ভ থাকতে হয় আমদানি ব্যয়ের অন্তত তিন মাসের সমপরিমাণ ডলার। বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় প্রতি মাসে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার। এই হিসাবে বর্তমানে নিট রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি খরচ পূরণ করা যাবে না। অর্থনীতির জন্য যা এক বড় বিপত্সংকেত বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স, বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি আয়, বিদেশি বিনিয়োগ, বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নেওয়া ঋণ মার্কিন ডলার হিসেবে পায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এই ডলার আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে জমা থাকে। এখান থেকে আবার বাংলাদেশ আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ ও কিস্তি পরিশোধ করা, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা, বিদেশে যাওয়া পর্যটক ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার টিউশন ফি দেওয়া হয়। এভাবে ডলার আয় ও ব্যয়ের পর যা অবশিষ্ট থাকে, সেটাই রিজার্ভ। আর যখন ডলার আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় হয়, তখন রিজার্ভ কমে যায়। তবে সরকার এলসি কমিয়ে ডলার ধরে রাখতে চাচ্ছে। তবু কমছে রিজার্ভের পরিমাণ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions