
ডেস্ক রির্পোট:- দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে চালু থাকা লটারি পদ্ধতি ধাপে ধাপে বাতিল করা হবে।
সেইসঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ইউজিসি চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণার সময় তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, লটারি পদ্ধতি মেধা যাচাইয়ের কোনো কার্যকর উপায় নয়। অংশীজনদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে একটি স্বচ্ছ ও যুক্তিসঙ্গত পদ্ধতি প্রয়োজন।
তিনি বলেন, এই পরীক্ষা অত্যন্ত সহজ ও শিশু-বান্ধব হবে এবং এতে শিশুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হবে না। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নেয়া হবে না, যা তাদের মানসিক চাপ বাড়ায়। পরীক্ষাটি হবে খুবই সাধারণ ও মৌলিক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভর্তি পরীক্ষা চালু হলেও যাতে কোচিং বাণিজ্য বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সরকার সতর্ক থাকবে। প্রয়োজনে স্কুলের ভেতরেই শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৮ বছরের শিক্ষকতা অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শিগগিরই জারি করা হবে।
তিনি বলেন, ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমতা আনার জন্য কোটাভিত্তিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ২০ শতাংশ কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ থাকবে। বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক সহায়তা পায়, যা অনেক দরিদ্র পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।