
ডেস্ক রির্পোট:- বিএনপি ঘোষিত বহুজাতির ‘রেইনবো নেশন’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন নামের একটি সংগঠন। একই সাথে সংগঠনটি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগে সরকারি সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দপ্তর পুনর্বণ্টনের আহ্বান জানিয়েছে।কক্সবাজার
২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল গণরায় নিয়ে বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা আশা করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক পথে বাংলাদেশের নতুন এই অভিযাত্রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন এবং জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকারসহ সব প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর মানবাধিকারের বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছে যে নবগঠিত মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন পাহাড়িকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি আরেকজন বাঙালিকে প্রতিমন্ত্রীর পদে রাখা হয়েছে। যা ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করছে সংগঠনটি। তবে এই নিয়োগের মাধ্যমে সরকার ওই চুক্তির কোন ধারা লঙ্ঘন করেছে সে বিষয়ে বিবৃতিতে স্পষ্ট কিছু উল্লেখ নেই। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির যুগ্ম সমন্বয়কারী মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন ও অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
বিএনপি ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকার পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদে পাহাড়ি ও প্রতিমন্ত্রী বাঙালি নিয়োগে পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন সংগঠন স্বাগত জানালেও এই সংগঠনটি তাদের ‘পর্যবেক্ষণ’ বিবৃতি আকারে তুলে ধরেছে। তবে তাদের এই ‘পর্যবেক্ষণ’ সঠিক নয় বলে পার্বত্যনিউজ অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে।নির্বাচনী কৌশল
খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামোসহ অন্যান্য খাতসমূহে সুষম উন্নয়নের গঠিত এই পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে ইতোপূর্বে মন্ত্রী কিংবা উপদেষ্টা পদে অপাহাড়িদের নিয়োগ দেয়ার উদাহরণ রয়েছে।