
ডেস্ক রির্পোট:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ের পথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। প্রায় ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দেশের বৃহত্তম এ রাজনৈতিক দলটি। দিনভর সুষ্ঠু উৎসবমুখর শান্তিপূর্ণ ভোটের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।
গতকাল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। গত রাত সাড়ে ৩টার সময় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি পেয়েছে ১৮১ আসন। এছাড়া আরও অনেক আসনে এগিয়ে ছিল বিএনপি জোটের প্রার্থীরা। অধিকাংশ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের সঙ্গে। কিছু কিছু জায়গায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীও বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াত জোট পেয়েছে ৬৪ আসন। জীবনে প্রথমবারের মতো বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা ও বগুড়ার দুটি সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটিতেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হয়েই প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে ছিলেন অনেক আসনে। বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন সারা দেশে বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। আনন্দ মিছিল নিয়ে ছুটে বেড়ান শহর, নগর, গ্রামে। রাতেই অনেকে মিষ্টি বিতরণ শুরু করেন। দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে অবশেষে বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠেছেন বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা।
সারা দেশের আসনভিত্তিক বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মধ্যে ১৮টিতে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। একটি আসনে জামায়াত জোটের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হাসান বিজয়ী হয়েছেন। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমদ, মৌলভীবাজার-২ আসনে বিএনপির শওকতুল ইসলাম, মৌলভীবাজার-৩ আসনে বিএনপির এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির মুজিবুর রহমান চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির জি কে গউছ বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জেলা জামায়াত সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমেদ দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৫৮১ ভোট।
সিলেট-২ আসনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির তাহসিনা রুশদীর লুনা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৭ ভোট। আর খেলাফত মজলিসের মুনতাসির আলী দেয়ালঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৪৬ ভোট। সিলেট-৩ আসনে বিএনপির এম এ মালিক ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দিন রাজু রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৪০৯ ভোট। আসনটিতে রিকশার চেয়ে ধানের শীষ ৪২ হাজার ৯৩৬ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছে।
সিলেট-৪ আসনে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৩ ভোটের ব্যবধানে দাঁড়িপাল্লাকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে ধানের শীষ। আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৭৬ ভোট।
সিলেট-৫ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের জমিয়ত প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান। ৬ হাজার ১৭৭ ভোটের ব্যবধানে দেয়ালঘড়ি প্রতীক নিয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। মুফতি আবুল হাসান পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৪৪ ভোট। আর তৃতীয় স্থানে থাকা বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) ফুটবল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৬৯ ভোট।
সিলেট-৬ আসনে জামায়াতের মো. সেলিম উদ্দিনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী। এমরান আহমদ চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬২২ ভোট। সেলিম উদ্দিনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৯৭ হাজার ৭৩৭। সিলেট-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বিজয়ী হয়েছেন।
হবিগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৭৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ২৪৫ ভোট। হবিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির আবু মনসুর সাখাওয়াত, হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির সৈয়দ মো. ফয়সল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
সুনামগঞ্জের পাঁচ সংসদীয় আসনের প্রতিটিতে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থীরা। সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের কামরুজ্জামান কামরুল ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৬১ ভোট পেয়ে বিজীয় হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৩৪ ভোট। সুনামগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের অ্যাডভোকেট শিশির মনির পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ধানের শীষে ৯৬ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৯৮৪ ভোট। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির অ্যাডভোটে নুরুল ইসলাম ৯৭ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট শামস উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৭৪ ভোট। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির কলিম উদ্দিন মিলন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুস সালাম আল মাদানি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯২৮ ভোট।
খুলনা বিভাগের চার জেলার ১০ আসনের মধ্যে ৯টিতে জামায়াত এবং ১টিতে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই জামায়াতের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ইজ্জত উল্যাহ পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট। সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে দাঁড়িপাল্লার মুহাদ্দিস আবদুল খালেক পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আবদুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট। সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালীগঞ্জ) আসনে দাঁড়িপাল্লার রবিউল বাশার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের ডা. শহিদুল আলম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৪ ভোট। ধানের শীষের কাজী আলাউদ্দীন পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৩৪ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে দাঁড়িপাল্লার গাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের ড. মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট। মেহেরপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার তাজউদ্দীন খান ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মাসুদ অরুণ পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে দাঁড়িপাল্লার নাজমুল হুদা ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট। নড়াইল-১ আসনে বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ৮৪ হাজার ৮১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম জামায়াতের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার পেয়েছেন ৬১ হাজার ২৯৭ ভোট। নড়াইল-২ আসনে জামায়াতের অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম কলস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৪৪৫ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শরীফুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ টি ভোট। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ টি ভোট।
ময়মনসিংহ বিভাগের ২৩ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপি পেয়েছে ১১টি, জামায়াত ৩টি আসন। শেরপুর-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। ১৪৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১৪১ কেন্দ্রে তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানসিলা জেবরিন পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৮০ ভোট।
শেরপুর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৪১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৫৭৮ ভোট। নেত্রকোনা-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির কায়সার কামাল। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের গোলাম রাব্বানী। নেত্রকোনা-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আনোয়ারুল হক। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির ফাহিম রহমান খান পাঠান। নেত্রকোনা-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল। নেত্রকোনা-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬০ হাজার ২২৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৮ ভোট। নেত্রকোনা-৫ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের মাসুম মোস্তফা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু তাহের তালুকদার। ময়মনসিংহ-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এম ইকবাল হোসেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৭৪ হাজার ৪৭৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আহম্মেদ তায়েবুর রহমান পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫১৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৬ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের মো. কামরুল হাসান। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৬৩ হাজার ৭১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আখতার সুলতানা পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৮৬৭ ভোট।
ময়মনসিংহ-৭ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান লিটন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৯৬ হাজার ২২১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আছাদুজ্জামান পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৬১৭ ভোট।
ময়মনসিংহ-৮ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির লুৎফুল্লাহেল মাজেদ। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির প্রার্থী মো. আওরঙ্গজেব বেলাল ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়েছেন। ময়মনসিংহ-১০ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আখতারুজ্জামান বাচ্চু। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৭৪ হাজার ৬৩৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আবু বকর সিদ্দিক পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪২৪ ভোট। ময়মনসিংহ-১১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট। জামালপুর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সুলতান মাহমুদ। পোস্টাল ব্যালটসহ প্রাপ্ত ভোট ৯৫ হাজার ৮৬০। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সামিউল হক পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪৩৪ ভোট।
নাটোর, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর জেলার ১৫টি সংসদীয় আসনের খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ১০টিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এবং পাঁচটিতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী। নাটোর-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমীন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২ হাজার ১৯৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪১৯ ভোট। নাটোর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৯৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইউনূস আলী পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭১০ ভোট। নাটোর-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩০৯ ভোট। নাটোর-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল আজিজ। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৭১টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আবদুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭৭ ভোট।
জয়পুরহাট-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান সাঈদ। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৫ ভোট। জয়পুরহাট-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল বারী। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৮টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এস এম রাশেদুল আলম পেয়েছেন ৯১ হাজার ১২ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. কেরামত আলী। তার প্রাপ্ত ভোট ২ লাখ ৬ হাজার ৮৯৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শাহজাহান মিঞা পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৫১৫ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মু. মিজানুর রহমান। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলামের চেয়ে প্রায় ২৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে (দলীয় সূত্র) এগিয়ে আছেন। তবে আজ সকালে পোস্টাল ভোটসহ ফলাফল একীভূত করে ঘোষণা করবেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪০টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট।
নওগাঁ-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ২০২টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহা. মাহাবুবুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৩ ভোট। নওগাঁ-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. এনামুল হক। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. সামসুজ্জোহা খান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। নওগাঁ-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. ফজলে হুদা। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৩০টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৬৩ ভোট।
নওগাঁ-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইকরামুল বারী টিপু। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আবদুর রাকিব পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট। নওগাঁ-৫ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬টি। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের আবু সাদাত মো. সায়েম পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ২০৯টি। নওগাঁ-৬ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শেখ মো. রেজাউল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৮ হাজার ৭০টি। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের মো. খবিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট।
চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি চার স্বতন্ত্র একটিতে বিজয়ী হয়েছে। চাঁদপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী আ ন ম এহসানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী আবু নছর মো. মকবুল হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৮৫ ভোট। চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ড. জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৮ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপি প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৩২৪ ভোট। চাঁদপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২১ হাজার ৪৪০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ৭১,৪৯৬ ভোট। চাঁদপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৪৯ হাজার ১৮৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী লায়ন হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৬৯ ভোট। চাঁদপুর-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯০৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপি প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৮৫ ভোট।
কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে পাওয়া আটটিতে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি, জামায়াত-১ ও এনসিপি-১, স্বতন্ত্র-১। কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২৮ হাজার ৫৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৩০৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহালুল পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ২০৫ ভোট। কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৭৬ হাজার ২৬৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মতিন খান তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩৮৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১৩ হাজার ৮৮৩। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১১০। কুমিল্লা -৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ৫৩ হাজার ৫১৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইউসুফ হাকিম সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) বিএনপির জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস) বিএনপি চেয়ার পারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৮ আসনে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে এগিয়ে আছেন বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম। পোস্টাল ব্যালট গণনার পর তার পূর্ণ ফল জানা যাবে। কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বিজয়ী হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুরের চার আসনেই বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন- লক্ষ্মীপুর-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মো. মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট। লক্ষ্মীপুর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪২ ভোট। লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪১ ভোট। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এ বি এম আশরাফ উদ্দিন মিজান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আশরাফুর রহমান হাফিজউল্যা পেয়েছেন ৭০ হাজার ৭৬৫ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি পাঁচটিতে, স্বতন্ত্র একটিতে বিজয়ী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এম এ হান্নান। তিনি পেয়েছেন ৬৯২৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন। তিনি পেয়েছেন ৩৫৫৬৮ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি পেয়েছেন ৭০৯০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মোহাম্মদ জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৪৬৯৩৭ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব। তিনি পেয়েছেন ১৫৪০২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আতাউল্লাহ পেয়েছেন ৪১৭০৪ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মুশফিকুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১,৩৩,৮১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৮২,৪৮০ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি। তিনি পেয়েছেন ৬২৬৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ২১,০০৫ ভোট।
রাজশাহীর পাঁচটির মধ্যে তিনটিতে এগিয়ে বিএনপি, দুটিতে জামায়াত। রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মোট ১৫৯ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন মো. মুজিবুর রহমান, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মো. শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৩৫ ভোট।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের ১১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৪২ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন ধানের শীষের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ৮১ হাজার ২৩ ভোট।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে ১৩১ কেন্দ্রের মধ্যে ৯৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন ১ লাখ ৩০ হাজার ২৩০ ভোটি পেয়ে এগিয়ে আছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৯৫ ভোট।
রাজশাহী-৪ আসনে ১২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৬২১ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন মো. আবদুল বারী সরদার, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মো. ডি এম ডি জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৩২ ভোট।
রাজশাহী-৫ আসনে ১৩২ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৩০ হাজার ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. মনজুর রহমান পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৬৬২ ভোট।
রাজশাহী-৬ আসনে ১১৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী মো. আবু সাইদ চাঁদ ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. নাজমুল হক পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৫২৪ ভোট।
পাবনার পাঁচটি আসনে তিনটিতে জামায়াত জোট, দুটিতে বিএনপি এগিয়ে। পাবনা-১ আসনে ৯৫ কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৬২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মো. শামসুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৬৫৮ ভোট।
পাবনা-২ আসনে ১৪১টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বিএনপির প্রার্থী এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৮৭ ভোট।
পাবনা-৩ আসনে ১৭৭টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটির ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মুহাম্মাদ আলী আছগার ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মো. হাসান জাফির তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪০ ভোট।
পাবনা-৪ আসনে ১৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটির ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন মো. আবু তালেব মণ্ডল। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৬ ভোট।
পাবনা-৫ আসনে ১৬৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. ইকবাল হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৩৫ ভোট।
বগুড়ায় ধানের শীষ এগিয়ে
বগুড়া-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।
বগুড়া-৬ আসনে ৪১টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে ৫৬ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন বিএনপি প্রার্থী তারেক রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. আবিদুর রহমান পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।
এ ছাড়াও বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম প্রায় ৬৩ হাজার ভোটে এগিয়ে, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে আবদুল মুহিত তালুকদার ১৮ হাজার ভোটে, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে প্রায় ৪০ হাজার ভোটে আলহাজ মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ প্রায় ৯৫ হাজার ভোটে ও বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে মোরশেদ মিল্টন ৮০ হাজার ভোটে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এগিয়ে আছেন।
সিরাজগঞ্জে দুটিতে ধানের শীষ
সিরাজগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ২২৫ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭২ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন মো. এম এ মুহিত। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি প্রার্থী সাইফ মোস্তাফিজ ১ লাখ ৩ হাজার ৭৪ ভোট পেয়েছেন।
টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও নরসিংদী তিন জেলার মোট ১৮টি আসনের বিএনপি-১৬, স্বতন্ত্র-১ জামায়াত-১
নরসিংদীতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ নরসিংদীর পাঁচটি আসনেই নিরঙ্কুশ বিজয়লাভ করেছেন বিএনপি প্রার্থীরা।
নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবির খোকন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ইব্রাহীম ভুঁইয়া পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৩০ ভোট। নরসিংদী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. আবদুল মঈন খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এগিয়ে আছেন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৫২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১৬১ ভোট। নরসিংদী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মনজুর এলাহী ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরিফুল ইসলাম মৃধা হাঁস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট। নরসিংদী-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট। নরসিংদী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী আশরাফ উদ্দীন বকুল ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫১২ পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তাজুল ইসলাম রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৬৮২ ভোট।
টাঙ্গাইলে আটটি আসনের সাতটিতে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র (বিএনপি) জয়লাভ করেছে। টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল্লাহেল কাফি পেয়েছেন ৯২ হাজার ৭৮১ ভোট। টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুস সালাম পিন্টু ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫১৬ ভোট। টাঙ্গাইল-৩ আসনে (ঘাটাইল) স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৯০ হাজার ৭৫৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ওবায়দুল হক নাসির পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৯ ভোট। ১২২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০০টির ফলাফল। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন ৯১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রাথী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী পেয়েছে ৫৩ হাজার ৫৭৪ ভোট। ১১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৮টির ফলাফল।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাহউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আহসান হাবিব মাসুদ পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৫১৫, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৭২৮ ভোট।
টাঙ্গাইল-৬ আসনে (নাগরপুর-দেলদুয়ার) বিএনপির প্রার্থী মো. রবিউল আওয়াল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম আবদুল হামিদ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯০৪ ভোট। টাঙ্গাইল-৭ আসনে (মির্জাপুর) বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ১ লাখ ৪১ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবদুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫১ ভোট। টাঙ্গাইল-৮ আসনে (সখীপুর-বাসাইল) বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আলমগীর রাসেল হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৭৩ ভোট।
গাজীপুর জেলা : গাজীপুর-১ আসনে ২৩৮টি কেন্দ্রের ৪৭ কেন্দ্রে বিএনপির মো. মজিবুর রহমান পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৬১ ভোট এবং জামায়াতের মো. শাহ আলম বকশী পেয়েছেন ১১ হাজার ৬১৭ ভোট। গাজীপুর-২ আসনে ২৭৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১০৬টি কেন্দ্রে বিএনপির এম মঞ্জুরুল করিম রনির প্রাপ্ত ভোট ৭৬ হাজার ৮৯৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের (জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপি) আলী নাছের খান পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৫৯১ ভোট। গাজীপুর-৩ আসনে ১৮১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৭টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু পেয়েছেন ২৯ হাজার ১০২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) মুহাম্মদ এহসানুল হক পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৪ ভোট। গাজীপুর-৪ আসনে ১২৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৯৯ কেন্দ্রে জামায়াতের সালাহউদ্দিন আইউবী পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৬৬ ভোট। বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট। গাজীপুর-৫ আসনে ১২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩০ কেন্দ্রে বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক মিলন পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭৬৮ ভোট। জামায়াতের মো. খায়রুল হাসান পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯২৭ ভোট।
ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল। প্রাপ্ত ভোট ৬১ হাজার ২১৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডক্টর ফয়জুল হক পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৬৯ ভোট। ঝালকাঠি-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রাথী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
পিরোজপুর-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ সাঈদী। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৮২৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৫ ভোট।
পিরোজপুর-২ আসনে ৪৫ হাজার ১২১ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর পেয়েছেন ৩৯ হাজার ১২৪ ভোট। পিরোজপুর-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মো. রুহুল আমীন দুলাল। প্রাপ্ত ভোট ৬৩ হাজার ১৩২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রুস্তম আলী ফরাজী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৩ ভোট।
পটুয়াখালী-১ আসনে ৯১ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪২ ভোট। পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াতের শফিকুল ইসলাম মাসুদ ৭৭ হাজার ৯৮৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সহিদুল আলম তালুকদার পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮০৮ ভোট। পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি জোটের প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর। প্রাপ্ত ভোট ৯৯ হাজার ৫২২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১৪৪ ভোট। পটুয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৩৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৬ ভোট।
বরিশাল-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন ৯৯ হাজার ৪১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১৪০ ভোট। বরিশাল-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ ৬৭ হাজার ৯১৪ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৭২ হাজার ১৭১ ভোট। বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদীন বিজয়ী হয়েছেন। বরিশাল-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী রাজীব আহসান ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৭২ হাজার ৭৯২ ভোট। বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার ৩৯ হাজার ৭৯০ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট। বরিশাল-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান ২৬ হাজার ৫৫৪ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৮১ হাজার ৮৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মাহমুদুন্নবী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৩৩ ভোট।
ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ৩০ হাজার ৬৮৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। ভোলা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম ২৭ হাজার ৫০৭ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২১ হাজার, ৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৯৮ ভোট। ভোলা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (অব.) ৯৬ হাজার ১১৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৭৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি বিডিপির প্রার্থী মু. নিজামুল হক নাঈম পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৬০ ভোট। ভোলা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়ন ১ লাখ ৭ হাজার ৬৯৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৯০ হাজার ৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ৮২ হাজার ৩১৮ ভোট।
বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ১ হাজার ৬৪৩ ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে আছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ২ হাজার ৩৫৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৭১৫ ভোট।
বরগুনা-২ আসনে ৬৪টি কেন্দ্রে বিএনপির আলহাজ নূরুল ইসলাম মণি ৪ হাজার ৬২৩ ভোটে এগিয়ে আছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৪৬ হাজার ৬৮১।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির নুরুল আমিন ২২ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান পেয়েছেন ১৩ হাজার ১২৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর এগিয়ে রয়েছেন। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ৭২ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ আলাউদ্দিন পেয়েছেন ৩৭ হাজার ১৫৭ ভোট।
চট্টগ্রাম- ৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির আসলাম চৌধুরী ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আনোয়ার ছিদ্দিক ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট পেয়েছেন। তবে আপিল বিভাগের দায়ের করা সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়ায় এ ফলাফল স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ক-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন ৪৪ হাজার ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ২৯ হাজার ৮৬৭ ভোটে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু পেয়েছেন ১০ হাজার ৪২৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির হুমমাম কাদের চৌধুরী ১ লাখ ১ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এটিএম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৬৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ ৭২ হাজার ৫৩০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৩২ ভোট।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির আবু সুফিয়ান ৬৬ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের একেএম ফজলুল হক ৩১ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী) আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান ২১ হাজার ৪৩৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী ১৩ হাজার ৯৮৮ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৩৭ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম ২৪ হাজার ১৮১ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির এনামুল হক এনাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু ২৮ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম শাহজাহান পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৬২৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ উপজেলা ও সাতাকানিয়ার একাংশ) আসনে বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়ার একাংশ) আসনে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম ৮৯ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১০ ভোট।
রাঙ্গামাটিতে বিএনপির দীপেন দেওয়ান ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৯২ ভোট।
খাগড়াছড়িতে বিএনপির ওয়াদুদ ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৫ ভোটে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা ৬৭ হাজার ৯৮৩ ভোট পেয়েছেন।
বান্দরবানে বিএনপি প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরী জয়ী হয়েছেন। বান্দরবানে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫। এ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ২ লাখ ২ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৩২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৪৩ ভোট।
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনে ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফুর রহমান কাজল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শহিদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৪ ভোট।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী ১ লাখ ২২ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নুর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৯৮০ ভোট।
বাগেরহাট-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. মশিউর রহমান খান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৪১২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৯৫৬ ভোট।
বাগেরহাট-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শেখ আবুল কাশেম ৬৬ হাজার ৩৯৯ ভোট। বাগেরহাট-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ শেখ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ২০৬ ভোট। বাগেরহাট-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. আবদুল আলীম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৯২৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হরিপদ দে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৫৯৫ ভোট।
কুষ্টিয়া-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির রেজা আহাম্মেদ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. বেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ ভোট। কুষ্টিয়া-২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের আবদুর রহমান। তিনি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট। কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. আমির হামজা। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাকির হোসেন সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ ভোট। কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. আফজাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬ ভোট।
ঝিনাইদ-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।
ঝিনাইদ-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মো. আবু বকর। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আবদুল মজিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৭৫ ভোট।
ঝিনাইদ-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের আলী আজম মো. মতিউর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোহাম্মদ মেহেদী হাসান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬৫ ভোট। ঝিনাইদ-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মো. আবু তালিব। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৩১ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র কাপপিরিচ প্রতীকে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ৭৫ হাজার ৭৫০ ভোট।
মাগুরা-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. মনোয়ার হোসেন। পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ১৮৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল মতিন পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭৮৩ ভোট। মাগুরা-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ১৮০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ ভোট।
খুলনা-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আমীর এজাজ খান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৫৮ ভোট। খুলনা-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল। তিনি পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৫৭ ভোট। খুলনা-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৫৭০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫০৫ ভোট। খুলনা-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এস কে আজিজুল বারী জয়ী হয়েছেন। খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগর। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট।
খুলনা-৬ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ৩৩৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী) পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ১০০ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মাজহারুল ইসলাম ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হেদায়েতুল্লাহ হাদী পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৪৮৮ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬১ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির ড. এম ওসমান ফারুক ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জেহাদ খান পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ২৭৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মো. ফজলুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীকে ৭৯ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী শরীফুল আলম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫২৫ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ইলিয়াস মোল্লা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৪ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ধানের শীষ প্রতীকে এগিয়ে ছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূইয়া।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৭৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১৬৫ কেন্দ্রের ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আবদুল্লাহ আল আমিন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ১ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মনির হোসাইন খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৭৭ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ফলাফল এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
শরীয়তপুর-১ আসনে ১৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির সাঈদ আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৭৫ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ের পথে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জালালুদ্দীন আহমদ রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৮১ ভোট।
শরীয়তপুর-২ আসনে ১৩৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টির ফলাফলে বিএনপির সফিকুর রহমান কিরণ ধানের শীষ প্রতীকে ৪১ হাজার ৯০০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদ হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯০৭ ভোট।
শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপির মিয়া নুরু উদ্দিন আহমেদ অপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৮৫ ভোট।
ঢাকা জেলার ২০টি আসনের মধ্যে দুটি আসনের ফলাফল
ঢাকা-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রার্থী আমান উল্লাহ আমান ১ লাখ ৬৩ হাজার ২২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল মো. আবদুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৭০৭ ভোট।
রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ ৫৫ হাজার ৪৮৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ২৭০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৭৮৫ ভোট।
রাজবাড়ী-২ বিএনপির প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ ১,৮১,২১২ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ২,৩৫,০৬১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী জামিল হিজাযী পেয়েছেন ৫৩,৮৪৯ ভোট।
মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল্লাহ ৬৭,৫২২ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,৬৫,৭১৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী পেয়েছেন ৯৮,১৯২ ভোট।
মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুস সালাম আজাদ ৩৫,৫৮১ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,২১,১৫৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পাটির প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৫,৫৭৩ ভোট।
মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ৩৫,৭৫৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,২৪,৬৯১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৮৮,৯৩৬ ভোট।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা ৫১,৯৫৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯২১ ভোট।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী কে এম বাবর ৭,০০৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৪০,০৪৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এইচ খান মঞ্জু (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন ৩৩,০৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম জিলানী ৪৯টি কেন্দ্রে ৩১ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ১৮ হাজার ৫১ ভোট পেয়েছেন।
ফরিদপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা ২৮,৬৩৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়েছেন। ব্যবধান ২৮৬৩৩।
ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম ৩২,৯৫৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,২০,৯০৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭,৯৫৬ ভোট।
ফরিদপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী নায়াব ইউসুফ আহমেদ ২৫,৩৯৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,৪৭,৮২৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদূত তাওয়াব পেয়েছেন ১,২২,৪৩৪ ভোট।
ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবলু ৫১,৮০৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,২৪,৯৬০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সারোয়ার হোসাইন পেয়েছেন ৭৩,১৫১ ভোট।
মাদারীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা ৩৮৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৬৪,৯০৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নাদিয়া আক্তার পেয়েছেন ৬৪,৫২৪ ভোট।
মাদারীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জাহান্দার আলী মিয়া ১৫,২৯৮ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৬১,৭৭৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন ৪৬,৪৭৬ ভোট।
মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আনিছুর রহমান খোকন তালুকদার ১১,৫৪২ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৯৬ হাজার ১৮৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৪,৬৪৬ ভোট।
মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান ৯৪,৩৪৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১৭,৫৮৭৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. সালাহ উদ্দিন পেয়েছেন ৮১,৫৩১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম ১,০৩,১০৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ১,৬৭,৩৪৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬৪,২৪২ ভোট।
লালমনিরহাট-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মো. হাসান রাজীব প্রধান। প্রাপ্ত ভোট ৯২,৭৯৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু পেয়েছেন ৮৫,৪৮৯ ভোট।
লালমনিরহাট-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রাথী মো. রোকন উদ্দীন বাবুল। প্রাপ্ত ভোট ১,১৮,৩৫৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ফিরোজ হায়দার পেয়েছেন ১০,৭৮৮৬ ভোট।
লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলু। প্রাপ্ত ভোট ১,৪০,১০৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আবু তাহের পেয়েছেন ৫৫,৩৮৭ ভোট।
রংপুর-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। প্রাপ্ত ভোট ১,৫০,০৮৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মোকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯,৪০৭ ভোট।
রংপুর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী এ টি এম আজহারুল ইসলাম। প্রাপ্ত ভোট ১,৩৯,৬৮০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার ৭৯,৮৭০ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল। প্রাপ্ত ভোট ১,৭৫,৮৯৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ৮৪,৫৭৮ ভোট।
রংপুর-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন। প্রাপ্ত ভোট ১,৬৫,৭১১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১,২১,৮৪২ ভোট।
রংপুর-৫ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মো. গোলাম রব্বানী। প্রাপ্ত ভোট ১,৭৫,২০৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১,১৪,১৪০ ভোট।
রংপুর-৬ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন। প্রাপ্ত ভোট ১,১৮,১৬০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১,১৬,৬৪৬ ভোট।
কুড়িগ্রাম-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম। প্রাপ্ত ভোট ১,৩৪,৬৪৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুর রহমান রানা পেয়েছেন ১,১৭,৩৫৬ ভোট।
কুড়িগ্রাম-২ আসনে ফলাফল স্থগিত।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহবুবুল আলম। প্রাপ্ত ভোট ১,০৫১৯৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তাসভীর উল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮,৪০৩ ভোট।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাপ্ত ভোট ৭৮,৯৪৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৫৭,৯৪৫ ভোট। গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে জামায়াত এগিয়ে রয়েছে।
দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মো. মনজুরুল ইসলাম। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. মতিউর রহমান পেয়েছে।