শিরোনাম
বিএনপির ৫১ দফা ইশতেহার,জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের অঙ্গীকার ইনকিলাব মঞ্চের জাবের গুলিবিদ্ধ, আহত জুমা-আম্মারসহ অনেকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দুর্গম ৬টি ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে যাবে ভোটের সরঞ্জাম তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্বিকক্ষীয় সংসদসহ বিএনপির ইশতেহারে ৩৫ প্রস্তাবনা পাঁচ অধ্যায়ে বিএনপির ইশতেহার, ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ আছে যেসব প্রতিশ্রুতি ইনকিলাব মঞ্চ ও পুলিশ সংঘর্ষ,জাবের-আম্মারসহ কয়েকজন হাসপাতালে বিএনপির ইশতেহার তুলে ধরছেন তারেক রহমান, ফ্যামিলি কার্ড চালুসহ ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতি বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শান্তিচুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করবে–বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ কক্সবাজারের ৪টি আসনের ৫৯৮ কেন্দ্রের ৩২৯টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন জাতীয় গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশে আপত্তি?

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শান্তিচুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করবে–বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে কল্যাণমুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি। নির্বাচনী ইশতেহারে ৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ৫১ দফার কথা বলছে দলটি। পাশাপাশি পার্বত্যবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় দলটি। ক্ষমতায় গেলে শান্তিচুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করার কথাও বলছে বিএনপি।

আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বিএনপির লিখিত নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬-এর প্রতিশ্রুতিগুলো হলো—

সকলের নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ: দল-মত, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের সংবিধান প্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্ম-কর্মের অধিকার, নাগরিক অধিকার এবং জীবন, সম্পদ ও সম্মানের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করা হবে।

নৃগোষ্ঠী উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত নৃ-জাতি-গোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘নৃ-জাতি-গোষ্ঠী উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

টেকসই শান্তি স্থাপন: সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের অংশগ্রহণে ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। সকল গোষ্ঠীর সদস্যদের সংঘাত ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে পুনর্বাসনের জন্য আস্থা বিনির্মাণ প্রক্রিয়া (কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স) ও সামাজিক পুনর্গঠন কর্মসূচি (সোশ্যাল রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম) গ্রহণ করা হবে।

পার্বত্য জেলা হাসপাতালের আধুনিকায়ন: স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে তিন পার্বত্য জেলার জেলা হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়ন করা হবে।

কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন: পাহাড়ি পণ্য, হস্তশিল্প ও ইকো-ট্যুরিজমে বিনিয়োগ এবং স্থানীয় যুবদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশেষ কর্মসূচি এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হবে।

এগ্রো-ইকো ট্যুরিজম জোন প্রতিষ্ঠা: পার্বত্য এলাকার নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে ‘এগ্রো-ইকো ট্যুরিজম জোন’ গড়ে তোলা হবে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হবে।

শতভাগ সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ: পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকে যোগ্যদের পর্যায়ক্রমে শতভাগ সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসার প্রয়াস

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions