শিরোনাম
পুলিশ কোনো দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে শব্দযন্ত্রের গোলযোগ নিয়ে তদন্ত কমিটি নাফ নদী থেকে অস্ত্রের মুখে ১৩ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি জনপ্রত্যাশা ও ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে চাঁদাবাজের তালিকায় দ্বিতীয় শীর্ষে রাঙ্গামাটি, দেশে চাঁদাবাজ ৩৮৪৯ , তার মধ্য ৯০ ভাগই রাজনৈতিক নেতাকর্মী দেশে ৬৫১ শীর্ষ চাঁদাবাজ যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় ১০ লক্ষাধিক সৈন্য প্রস্তুত করছে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলতে পারবে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ রাঙ্গামাটিতে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন আড়াই শতাধিক লঞ্চ যাত্রীর প্রাণ রাঙ্গামাটিতে বাস দুর্ঘটনা আহত—২০

অভিন্ন আশ্রয় নীতির পথে ইইউ, প্রস্তাব পাস

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৪০ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত নিয়মকানুনের সংস্কারের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্ট। দশটি আইনের আওতায় এই রাষ্ট্রজোট বহির্সীমানায় আরও কড়া নিয়ম চালু করবে এবং সব সদস্য দেশ সম্মিলিতভাবে এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব ভাগ করে নেবে৷ এ সংক্রান্ত ডয়েচে ভেলের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, এরফলে এখন থেকে শুধু গ্রিস ও ইতালির মতো দেশকে শরণার্থীদের ঢল আর একা সামলাতে হবে না৷ শরণার্থীরাও আর বিচ্ছিন্ন আশ্রয় নীতির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ইইউ-র একাধিক সদস্য দেশে স্বীকৃতির চেষ্টা চালাতে পারবেন না৷ উল্লেখ্য, এর আগে ইইউ-র বেশিরভাগ সদস্য দেশের সরকার সেই প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল৷ ইউরোপীয় কমিশন সেই সব আইন কার্যকর করার উপায় বাতলে দেওয়ার পর ২০২৬ সাল থেকে সেই উদ্যোগ কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে৷
আশ্রয় সংক্রান্ত অভিন্ন নীতি কার্যকর হলে রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুরোধ বহির্সীমানার বাইরেই যাচাই করা হবে৷ যাদের আবেদন মঞ্জুর হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের সেখান থেকেই যত দ্রুত সম্ভব কোনো ‘নিরাপদ’ দেশে প্রত্যর্পণ করা হবে৷ সেই লক্ষ্যে নতুন সীমানা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে৷ যারা প্রবেশের সুযোগ পাবে, ইইউ-র বিভিন্ন দেশে তাদের বণ্টন করা হবে৷ কোনো সদস্য দেশ আশ্রয়প্রার্থীদের নিতে রাজি না হলে অর্থ বা অন্যান্য সম্পদ দিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে৷
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এই বোঝাপড়াকে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সংহতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন৷ ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন পার্লামেন্টের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর ফলে একই সঙ্গে ইউরোপের সীমান্ত নিরাপদ রাখা এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হবে৷ তার মতে, কোন পরিস্থিতিতে কোন বহিরাগত প্রবেশ করতে পারবে, এবার থেকে ইইউ দেশগুলিই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে৷ আদম ব্যবসায়ী ও মানব পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাহী ও সংসদীয় ক্ষমতাকেন্দ্র এমন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে উৎসাহ দেখালেও একাধিক শরণার্থী সহায়তা সংগঠন ইইউ-র নতুন অভিন্ন নীতির সমালোচনা করেছে৷ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনলের মতে, এর ফলে আরো বেশি মানবিক বিপর্যয় ঘটবে৷ রেড ক্রস ইইউ-র উদ্দেশ্যে শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছে৷ ব্রাসেলসে ইইউ পার্লামেন্ট ভবনের সামনেও প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখা গেছে৷

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions