শিরোনাম
ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন: তারুণ্য, প্রজ্ঞা ও কর্মমুখী নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি আতিকুর রহমান রুমন: সাংবাদিকতা থেকে রাষ্ট্রীয় যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আ.লীগের শোডাউন: পাল্টাপাল্টি দোষারোপ সরকারি ও বিরোধী দলের উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীনকে চূড়ান্ত প্রার্থী করলো এনসিপি হুথি হামলায় সৌদি পাইপলাইন বন্ধ, হুমকিতে ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত কোতয়ালী থানা বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগের দুই নেতাসহ গ্রেফতার ৫ পশ্চিমবঙ্গে ২৫২মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, নোটিশ পেলো আরও ১০০ জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ প্রাণহানি

আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস, জানে না অনেকে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪২২ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। আজ পয়লা ফাল্গুন। আজ ভালোবাসার দিন। কিন্তু অনেকে জানেন না আজ স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসও। সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদবিরোধী আন্দোলনের এক অগ্নিঝরা দিন। ১৯৮৩ সালের এই দিনে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে সূচিত হয়েছিল প্রথম বড় ধরনের আন্দোলন, যা মধ্য ফেব্রুয়ারির আন্দোলন হিসেবে পরিচিত।

সেই থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দিনটি স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে ’৯২-এর পর থেকে ভ্যালেন্টাইন ডের প্রভাব নতুন প্রজন্মের চেতনায় দিবসটি নাড়া দিতে পারছে না।
১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এরশাদের উপদেষ্টা মজিদ খানের শিক্ষানীতি বাতিল এবং সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হয়। ছাত্রদের একটি মিছিল সকালে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছলে পুলিশ বাধা দেয়। ফলে ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন জয়নাল, জাফর, দিপালী সাহাসহ কয়েকজন। নিহতদের কয়েকজনের লাশ গুম করে সরকার। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও ঢাকা শহরে কারফিউ জারি করা হয়। একই সঙ্গে ওই সময় পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রাবাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায় এবং ব্যাপক সংখ্যক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে। ছাত্র হত্যা এবং পুলিশি হামলার প্রতিবাদে পরদিন এ আন্দোলন জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পরদিন সরকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions