শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা কালাপাকুজ্জা ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থী জসিম উদ্দীন এর ব্যাপক গণসংযোগ নির্বাচনী প্রচারণায় জুঁই চাকমার রাঙ্গামাটি শহরে জনসংযোগ ঝুঁকির মধ্যে পাঠদান: থানচির টুকটং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আতঙ্কে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পাহাড়ে ষড়যন্ত্রের শেষ নেই সাবধান থাকতে হবে—নির্বাচনী পথসভায় ওয়াদুদ ভূইয়া রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক অরো প্রশস্ত হচ্ছে রাঙ্গামাটির ভোটের মাঠে আলো ছড়াচ্ছেন একমাত্র নারীমুখ জুঁই চাকমা রাঙ্গামাটির পাংখোয়াপাড়ার গোড়াপত্তন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উপহারেই রাঙ্গামাটিতে ১৩টি ব্যালট বক্সে লক করা হলো ৫ হাজারের বেশি পোস্টাল ভোটার বাংলাদেশি গণতন্ত্রের জন্য ধর্মের ফাঁদ পাতছে জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহে জামিন ছাড়াই কারামুক্ত হত্যা মামলার তিন আসামি

হাথুরুর ফেরা ক্রিকেটাররা কীভাবে দেখছেন

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৯৬ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- চন্ডিকা হাথুরুসিংহের ফোনটা হয়তো গত পরশু থেকে একটু বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ইনবক্স ভরে যাচ্ছে শুভেচ্ছা আর নানা বার্তায়। একটার পর একটা কল যাচ্ছে ফোনে।

হাথুরুর নতুন অধ্যায় নিয়ে গত পরশু সিলেটে বিপিএলের ম্যাচের পর সাকিব আল হাসান ‘কোনো মন্তব্য নয়’ বলে এড়িয়ে গেছেন। দলের বাকি সিনিয়র ক্রিকেটাররাও এড়িয়ে যাচ্ছেন হাথুরু-প্রসঙ্গ। নতুন কোচের অধীনে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে একজন শুধু এতটুকু বললেন, ‘আল্লাহই জানে…।’

২০১৭ সালের মার্চে মুমিনুল হককে শ্রীলঙ্কা সফরে শততম টেস্টের আগে দল থেকে বাদ দিয়েছিলেন হাথুরু। আলোচনার ঝড় উঠেছিল দেশের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে মুমিনুলকে দলে না রাখায়। বাঁহাতি টপ অর্ডার ব্যাটার অবশ্য ছয় বছর আগের স্মৃতি নিয়ে পড়ে থাকতে চান না। হাথুরুর অধীনে ভালো কিছুরই আশা তাঁর। মুমিনুল আজকের পত্রিকাকে বললেন, ‘এবার ভালো হবে, খারাপ হবে না মনে হচ্ছে। বিষয়টা আসলে পুরোই মনস্তাত্ত্বিক। যদি ইতিবাচকভাবে দেখেন, তাহলে ইতিবাচকই। দিন শেষে পারফর্ম করলেই হলো। হয়তো আরও মনোযোগ দিয়ে খেলতে হবে। মনে রাখতে হবে এক ইনিংস খারাপ খেললেই বাদ পড়তে হবে। এটা নিজেকে উজ্জীবিত করার উপায় হিসেবেও দেখা যায়।’

হাথুরুসিংহের অধীনেই তুমুল আলোড়ন ফেলে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাব মোস্তাফিজুর রহমানের। লঙ্কান কোচের প্রতি তাঁর আলাদা কৃতজ্ঞতাবোধ সব সময়ই কাজ করে। তবে মোস্তাফিজ কোনো কোচকেই বিশেষ কিংবা আলাদা নয়, প্রায় সবাইকে এক উচ্চতায় রাখতে পছন্দ করেন। গতকাল যেমন বললেন, ‘আমার কাছে সব কোচই ভালো। এটা নিয়ে আসলে কিছু বলার নেই।’ ফিজের কাছে পারফরম্যান্সই শেষ কথা, ‘পারফরম্যান্স করে দলে থাকতে হয়, সেটা নিয়েই বেশি চিন্তা করি, অন্য কিছু নয়।’

মোস্তাফিজের মতো আন্তর্জাতিক অভিষেকেই হইচই ফেলে দেওয়া বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার হচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২০১৬ সালের অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই টেস্ট সিরিজে বিস্ময়বালক হিসেবে আবির্ভূত হওয়া মিরাজ হাথুরু নিয়ে বললেন, ‘আগেরবার দেখেছি তাঁর পরিকল্পনা খুব ভালো ছিল। সে পরিকল্পনা যা করে সে অনুযায়ী কাজ করে। আমার মতো একজন অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের ওপর আস্থা রেখেছিলেন।’

হাথুরুর নতুন অধ্যায় নিয়ে মিরাজ বেশ আশাবাদী, ‘খারাপ হবে না, যেহেতু আমাদের সবাইকে তিনি চেনেন। একজন নতুন কোচকে যেমন নতুন করে চিনতে হয়, তাঁকে সেটা করতে হবে না। তিনি আমাদের পরিবেশ, সংস্কৃতি ও সামর্থ্য ভালোভাবেই জানেন। এটা ইতিবাচক দিক।’

হাথুরুসিংহের সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় লিটান দাসেরও। যিনি এখন বাংলাদেশের হয়ে সেরা সময় পার করছেন। হাথুরুকে নিয়ে লিটন বলেছেন, ‘এখানে নতুন-পুরাতন (অধ্যায়) বলতে কিছু নেই। যা হবে তিনি এলে দেখা যাবে। আগে আসুক।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions