শিরোনাম
শিগগিরই চালু হচ্ছে সাজেকের পাহাড়চূড়ায় ১০ শয্যার হাসপাতাল দিল্লি জুড়ে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে কালি: পূজার আগে উসকানির আশঙ্কা করছে পুলিশ কেপিএমসহ দেশের সব রুগ্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে উৎপাদনে ফিরাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার– বিসিআইসি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া: ছাত্ররাজনীতি থেকে  পার্বত্য উন্নয়নের নানা অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক নেতার গল্প রাঙ্গামাটিতে কাউখালীতে রদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা মারিশ্যা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান রাঙ্গামাটিতে ৫৩ মোবাইল ও ভুলে পাঠানো টাকা উদ্ধার করে ফেরত দিল ১৮ এপিবিএন রাঙ্গামাটিতে ছাত্রলীগ নেতা ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ১২

দিল্লি জুড়ে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:-দিল্লিতে পুলিশের পাশাপাশি আধাসামরিক বাহিনীর ‘যুদ্ধকালীন মোতায়েনকে’ লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ও জাতিসংঘের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক শশী থারুর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, রাত ২টার পর দিল্লিতে ফিরে এমন পরিস্থিতি খুব কমই দেখেছেন।
থারুর বলেন, ‘মানুষের চলাচলের স্বাধীনতা পুরোপুরি কেড়ে নেয়া হয়েছে।’ তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নাগরিকেরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রশ্ন তুলতে না পারেন, সে জন্যই এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ারও সমালোচনা করেছেন তিনি।
তাঁর ভাষায়, এটি সবচেয়ে পশ্চাৎমুখী ও দমনমূলক পদক্ষেপগুলোর একটি। থারুর আরও বলেন, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এড়াতে যে সরকার নিজের রাজধানীকেই দুর্গে পরিণত করে, তারা আসলে মানুষের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

তিনি বলেন, ‘ব্যারিকেড দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ফেরানো যাবে না। জনসাধারণের প্রশ্নের জবাব যত দ্রুত দেয়া হবে, পরিস্থিতি তত দ্রুত শান্ত হবে।’
ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও বামপন্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার থেকেই থমথমে দিল্লি। বিক্ষোভ দমাতে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী দিল্লিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে। শনিবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

এদিন বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছনো মাত্রই আটক করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বকে। আটক হয়েছেন বামপন্থী ছাত্র নেত্রী নেহা বোরা ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও । এ ছাড়া দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও আটক করেছে পুলিশ।

বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসকে বিমান থেকেই আটক করেছে পুলিশ। এর আগে সকালেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তার বাড়ি থেকেই আটক করা হয়।

​সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে একাধিক জায়গায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক লিদিয়া পলগ্রিন বলেছেন, দিল্লির রাস্তাজুড়ে পুলিশি তাণ্ডব চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, পুলিশ রাস্তায় যাকে পাচ্ছে, তাকেই ধরে বাস ও পুলিশের ভ্যানে তুলে নিচ্ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions