কষ্টার্জিত জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- ফিলাডেলফিয়ার তীব্র গরমে জমজমাট এক লড়াই দেখলো বিশ্ব। প্যারাগুয়ের কঠিন রক্ষণ ভেঙে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়লো ফ্রান্স। শেষ ষোলোর এই ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার-ফাইনালে পা রাখল দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

জার্মানিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে অঘটনের জন্ম দেয়া প্যারাগুয়ে ফরাসিদের বিপক্ষে ম্যাচেও একই কৌশলে নামে। রক্ষণ জমাট রেখে প্রতি আক্রমণের সুযোগ খোঁজা। গোলরক্ষক অরল্যান্দো গিলকে সামনে রেখে পুরো দল যেন দুর্গ বানিয়ে ফেলে নিজেদের বক্সের সামনে। ফ্রান্স বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালালেও প্রথমার্ধে ভাঙতে পারেনি সেই প্রতিরোধ। ৬৯ মিনিটে খেলার মোড় ঘুরে যায়। বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে দুর্দান্ত দক্ষতায় একাধিক প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢোকেন দেজিরে দুয়ে। শট নেওয়ার চেষ্টার আগেই দিয়েগো গোমেজের ট্যাকলে মাটিতে পড়ে যান তিনি। ভিআর দেখে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানান। স্পট থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। যা এবারের আসরে তার ষষ্ঠ গোল। পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি প্যারাগুয়ে। ম্যাচের শেষ দিকে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে তারা। উল্টো দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় ফ্রান্সও। মিশেল ওলিসের দুর্দান্ত থ্রু বল থেকে দুয়ে বল বাড়ান এমবাপ্পেকে। কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে নেয়া তার জোরালো শট একবার নয়, দুইবার অবিশ্বাস্য দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক অরল্যান্দো গিল। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।

পুরো ম্যাচেই ছিল শারীরিক লড়াইয়ের ছাপ। এক পর্যায়ে বারবার কঠোর ট্যাকলের জবাব দিতে গিয়ে হুয়ান হোসে কাসেরেসকে ফাউল করেন এমবাপ্পে। পরে কাসেরেসও পাল্টা লাথি মারেন তাকে। যদিও রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ সেই ঘটনা এড়িয়ে যান। কার্ড দেখাননি কাউকেই।

বিশ্বকাপে সবশেষ এই দু’দলের মুখোমুখিতে একই ব্যবধানে জিতেছিল ফ্রান্স। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে লোরঁ ব্লঁর গোল্ডেন গোলে ১-০ গোলে প্যারাগুয়েকে হারায় তারা। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন বর্তমান কোচ দিদিয়ে দেশম নিজে। সেবার শিরোপাও ঘরে তুলেছিল স্বাগতিক ফ্রান্স।

এই ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ১০৩তম ম্যাচ খেললেন এমবাপ্পে, যা দিয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফরাসি ফুটবলারদের তালিকায় কোচ দেশমের সঙ্গে যৌথভাবে নবম স্থানে উঠে এলেন তিনি। টুর্নামেন্টের প্রথম চার ম্যাচে সুইডেন, নরওয়ে, ইরাক ও সেনেগালের বিপক্ষে মোট ১৩ গোল করেছিল ফ্রান্স। তবে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে সেই আক্রমণাত্মক ধারায় ছেদ পড়ে। কোয়ার্টার-ফাইনালে ফ্রান্সে প্রতিপক্ষ মরক্কো।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions