শিরোনাম
দেশে ৬৫১ শীর্ষ চাঁদাবাজ যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় ১০ লক্ষাধিক সৈন্য প্রস্তুত করছে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলতে পারবে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ রাঙ্গামাটিতে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন আড়াই শতাধিক লঞ্চ যাত্রীর প্রাণ রাঙ্গামাটিতে বাস দুর্ঘটনা আহত—২০ রাঙ্গামাটিতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৪০০ পিস ইয়াবা ও নগদ অর্থসহ ৬ জন গ্রেফতার, এনিয়ে দুইদিনে ৩৬ জনকে গ্রেফতার রাঙ্গামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ১৯ জন গ্রেফতার, মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদার চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভয়াবহ আগুন ১২ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব, ৫ জন প্রত্যাহার ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ গ্রেপ্তার

১০ সংস্থা থেকে ২৮ হাজার পর্যবেক্ষক সক্ষমতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন,বিএনপি গত ১ ফেব্রুয়ারি সিইসির কাছে অভিযোগ জানায়

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৭ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশি ৮১ পর্যবেক্ষক সংস্থাকে ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ১০ সংস্থার ২৮ হাজার ৬৩ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা) নামের একটি সংস্থার ১০ হাজার ৫৫৯ জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সংস্থাগুলোর সক্ষমতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে বিএনপির পক্ষ থেকে এসব ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হয়। বিএনপির ভাষ্য, অল্প কিছু সংস্থা থেকে বেশির ভাগ পর্যবেক্ষক সংস্থা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই অপরিচিত। সক্ষম ও যোগ্যদেরই পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

তবে ইসির ভাষ্য, নিবন্ধিত সংস্থাগুলোর আবেদনের ভিত্তিতেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যারা বেশি পর্যবেক্ষক দিতে চেয়েছে, তাদের বেশি দেওয়া হয়েছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ৮১টি সংস্থার অনুমোদিত ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষকের মধ্যে ২৮ হাজার ৬৩ জনই এসেছে ১০টি সংস্থা থেকে। পাশা থেকে অনুমোদন পেয়েছে ১০ হাজার ৫৫৯ জন।

এ ছাড়া কমিউনিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (কার্ড) থেকে তিন হাজার ৮৬১ জন; বিয়ান মনি সোসাইটি থেকে দুই হাজার ৬৯৭ জন, সংগতি সমাজ কল্যাণ সংস্থা থেকে দুই হাজার ৬০৪ জন, রিসডা বাংলাদেশ থেকে এক হাজার ৬৪৫ জন, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন থেকে এক হাজার ৬৩৫ জন, ইম্প্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ থেকে এক হাজার ৫৩৫ জন, হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) থেকে এক হাজার ১৮৫ জন, গ্রামীণ ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (জিসা) থেকে এক হাজার ১৭৯ জন, রশ্মি হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (আরএইচডিও) থেকে এক হাজার ১৬৩ জন, চারু ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিডিএ) থেকে এক হাজার ১৪৬ জন, বিচরণ কল্যাণ সংস্থা থেকে এক হাজার ৬৭ জন, গরিব উন্নয়ন সংস্থা থেকে এক হাজার ৭৮ জন, বাকেরগঞ্জ ফোরাম থেকে এক হাজার ৫০ জন, একটিভ এইড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন থেকে এক হাজার ৩৫ জন, অ্যাসোসিয়েশন ফর সোসিও ইকোনমিক অ্যাডভান্সমেন্ট (এসিয়া) থেকে এক হাজার তিনজন এবং সোসাইটি ফর ব্রাইট সোশ্যাল সার্ভিসেস থেকে ৯৮৫ জনকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৬৪টি সংস্থা থেকে অনুমোদন পেয়েছে ২৭ হাজার ৩৯১ জন পর্যবেক্ষক।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘৫৫ হাজারের বেশি স্থানীয় পর্যবেক্ষককে নিয়োগ দিয়েছে ইসি, যাদের অনেকেই পরিচিত নন। আমরা জানতে চেয়েছি, ইসি কি বিবেচনা করে এই অনুমোদন দিয়েছে। আমরা বলেছি, যাদের সক্ষমতা রয়েছে, তাদেরই পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।’

গতকাল শুক্রবার ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, নিবন্ধিত সংস্থাগুলোর মধ্য থেকে পর্যবেক্ষক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেসব সংস্থা বেশি পর্যবেক্ষক চেয়েছে তাদের বেশি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যারা কম চেয়েছে তাদের তো বেশি দেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘একটি সংস্থাকে ১০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক অনুমোদনের ব্যাপারে আমরা শুনেছি। এরই মধ্যে আমরা এ বিষয়ে আলাপ করেছি। আগামী দিনে আরো আলাপ হবে।’

অভিযোগ রয়েছে, কোনো কোনো সংস্থাকে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় কোনো সংস্থার পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেয়নি। কেউ যদি এটি বলে থাকে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের বিচার-বিবেচনা অনুযায়ী যারা প্রাপ্য, তাদের দিয়েছি। এর মধ্যে ভুলভ্রান্তিও হতে পারে। আমরা দ্বিমত করব না। আমরা জেনেছি যে, এক সংস্থা থেকে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অথচ সেই সংস্থার অফিস তার বাড়িতেই। কিন্তু এখন অসুবিধা হচ্ছে, নতুন করে ভেরিফিকেশন বা রদবদল করার মতো যথেষ্ট সময় আাামদের নেই। আমাদের কোনো বায়াসনেস নেই।’

ওই একটি সংস্থাকে স্থগিত রাখার সুযোগ আছে কি না—এমন প্রশ্নে রহমানেল মাছউদ বলেন, সবাই মিলে (ফুল কমিশন) আরো আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions