শিরোনাম
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, নিচু এলাকা প্লাবিত,ঝুলন্ত সেতু পানির নীচে,রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে পানি ১০৫.৩৬ ফুট, বিপৎসীমার ৩.৬৪ ফুট নিচে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীর পানি বিপদসীমার উপরে: প্লাবিত নিচু এলাকা, কাপ্তাই বাঁধ খোলে দেয়ার দাবী স্থানীয়দের নবগঠিত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বরণ, বিএনপির উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রকল্পের মেয়াদ ১০ বছর ৯ বছরে শুরু হয়নি তিন স্কুলের কাজ, খরচ ৪৪৪ কোটি টাকা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ পার্বত্যমন্ত্রীর পার্বত্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন রাশেদুল হক মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভুটান রাজার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিবিসিকে হাসিনার সাক্ষাৎকার, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় অস্বীকার

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫০৮ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের আগে ই মেইলে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট সময়ে আন্দোলন দমনে হত্যার উসকানি, প্ররোচনা ও নির্দেশ দান, ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসেবলিটি’ এবং ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের’ মোট পাঁচ অভিযোগে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। আগামী সোমবার এ মামলার রায়ের দিন ঠিক করা হয়েছে।

ভারতে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, এই বিচার শুরু থেকেই ‘পূর্বনির্ধারিত রায়ের দিকে’ এগোচ্ছিল।

বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার অনুপস্থিতিতে যে বিচার চলছে, তা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নিয়ন্ত্রিত ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের’ সাজানো এক ‘প্রহসন’।

বিবিসি লিখেছে, এ রায় বাংলাদেশের জন্য যেমন ‘তাৎপর্যপূর্ণ’, তেমনি হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা ছাত্রনেতৃত্বের আন্দোলনে নিহতদের স্বজনদের জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’।

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আহ্বানে গতবছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই কমিশনের তদন্ত দল। গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা ও নির্বিচার গুলির একাধিক বড় অভিযান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘নির্দেশ ও তদারকিতে’ হয়েছে।

বিভিন্ন ‘নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া’ মৃত্যুর তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত দলের প্রতিবেদনে ধারণা দেওয়া হয়, ১ জুলাই থেকে ১৫ অগাস্টের মধ্যে ১,৪০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে, যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত প্রাণঘাতী অস্ত্র, সামরিক রাইফেল এবং শটগানের গুলিতে নিহত হন।

বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, এসব অভিযোগ তিনি ‘সুস্পষ্টভাবে’ অস্বীকার করছেন। ভারত থেকে দেশে ফিরে বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত এই প্রধানমন্ত্রী।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions