
ডেস্ক রির্পোট:- প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ’ একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়েছে, পুলিশের গুলিতে যমুনার সামনে আন্দোলনরত তিন জন নিহত হয়েছেন। কমপক্ষে আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে প্রেস উইং ফ্যাক্ট যাচাইয়ে এমন দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রেস উইং ফ্যাক্টস এ তথ্য জানায়।
প্রেস উইং ফ্যাক্টসের পক্ষ থেকে বলা হয়, কী-ওয়ার্ড সার্চে একাধিক গণমাধ্যমে যমুনার সামনে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের খবর পাওয়া গেলেও কোথাও নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অন্য কোনও নির্ভরযোগ্য সূত্রেও পাঁচ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
একাধিক গণমাধ্যমের সংবাদ অনুযায়ী, আজ নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এক পর্যায়ে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের বুঝিয়ে যমুনার সামনের এলাকা ছেড়ে দিতে অনুরোধ করলেও তারা অবস্থান অব্যাহত রাখেন।
এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ, লাঠিচার্জসহ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে থাকেন তারা।
আন্দোলনকারীরা পিছু হটে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ের দিকে অবস্থান নেন। সেখানে অবস্থান ধরে রাখলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সোয়া ১টার দিকে আবারও বলপ্রয়োগ করে পুলিশ।
তখন আন্দোলনরতদের লক্ষ্য করে কয়েক দফা সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়। এতে তাদের একটি অংশ শাহবাগের দিকে এবং আরেকটি অংশ বাংলামোটরের দিকে চলে যায়। অর্থাৎ, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলেও তিন জন নিহত হওয়ার দাবি মিথ্যা।