শিরোনাম
বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ১৩ দোকান, দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি চট্টগ্রামের কারাগারে ১৯৮ বিদেশি, কীভাবে দেশে এলেন তারা? অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল ও গুজব ছড়ানো পেজ বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি-সেবীসহ গ্রেপ্তার ১৮ ২০৩০ সালের মধ্যে ৬৮৯ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করবে পিডিবি ২৪ ঘণ্টায় ৩টি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন,জামায়াত-এনসিপির আলাদা প্রার্থী, ‘ফায়দা’ পাবে বিএনপি? ভারত থেকে পাইপলাইনে দিনাজপুরে পৌঁছালো ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ২০ হাজার কোটি প্রস্তুত: বন্ধ কারখানা কেন এক টাকাও পাচ্ছে না? রাজনৈতিক কারণে ৭ মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি দাবি মাহদী আমিনের, দ্বিমত টিআইবির

পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ১০৭ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪
  • ৪৯৩ দেখা হয়েছে

রাঙ্গামাটি:- এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত পাহাড়ে ১০৭টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১২ জনকে হত্যা, ১১৭ জনকে গ্রেপ্তার, ১২ জনকে সাময়িক আটকসহ ৬৭টি গ্রামের কমপক্ষে ৫ হাজার বম সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ এবং ৪৪৮ জন জুম্ম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন।

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

গতকাল সোমবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পাহাড়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। আওয়ামী লীগ সরকার টানা প্রায় ১৬ বছরের বেশি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও পার্বত্য চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। চুক্তিটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য সমস্যার রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পরিবর্তে সরকার আগের শাসকদের মতো ব্যাপক সামরিকায়ন করে দমন-পীড়নের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের নীতি গ্রহণ করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ৭ এপ্রিল থেকে যৌথ বাহিনীর কেএনএফ-বিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এক শিশুসহ ১২ নিরীহ মানুষকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্তঃসত্ত্বা, শিশুসহ ১১১ নিরীহ বম ও ত্রিপুরা গ্রামবাসীকে। অত্যাচারের ভয়ে ৪৭টি গ্রামের কমপক্ষে ১ হাজার পরিবারের (৫ হাজার জন) বম গ্রামবাসী অন্যত্র চলে গেছে। তাদের মধ্যে দুই দফায় কমপক্ষে ১৯২ জন প্রতিবেশী রাজ্যে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের মিজোরামে সরকারিভাবে তালিকাভুক্ত বম শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৩৩। যদিও বেসরকারি হিসাবমতে এ সংখ্যা ২ হাজারের বেশি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে ১৬ জন, জুম ও বাগান-বাগিচা চাষে বাধা ও ক্ষতি করা হয়েছে ৪২ পরিবারকে এবং সীমান্ত সংযোগ সড়কের কারণে ২৪২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্দেশ্যে ‘সংরক্ষিত এলাকা’ উল্লেখ করে দখল করা হচ্ছে। কাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আজাছড়ি ভাঙামুড়া পাড়া এলাকায় কোনো ক্ষতিপূরণ ছাড়াই দুই জুম্ম গ্রামবাসী উচ্ছেদের শিকার হয়েছে।সমকাল

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions