শিরোনাম
উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করছে আঞ্চলিক কিছু সশস্ত্র সংগঠন: রিজিয়ন কমান্ডার রাঙ্গামাটিকে মাদকমুক্ত রাখার দাবিতে মানববন্ধন পুলিশ সদস্যরাই মাদক পাচারে যুক্ত, কেউ করেছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি, কেউ হোটেল,ওসি শহিদুলের মাদকসংশ্লিষ্টতা পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় পাহাড় কাটার দায়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা রাঙ্গামাটির চিৎমরম ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ বিহারে অষ্টপরিস্কার দান সংঘদান রাঙ্গামাটিতে দেড় দশকে বন্যহাতির আক্রমণে ৩৬ জনের মৃত্যু অন্তর্বর্তী সরকারের ষোলো মাস,উপদেষ্টা পরিষদের ৫১ বৈঠক ও ৮১টি অধ্যাদেশ প্রণয়ন জামায়াতের তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন ১০০ প্রার্থী,রাঙ্গামাটিতে সর্বমিত্র চাকমা বা ফরহাদ,খাগড়াছড়িতে সাদিক কায়েম,বান্দরবনে খোঁজা হচ্ছে উপজাতি প্রার্থী যেভাবে ফাঁদে পড়েন প্রভা বিরক্ত রাশমিকা

কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা আদালতে খারিজ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৯২ দেখা হয়েছে

রাঙ্গামাটি:- পাহাড়ি নারী নেত্রী কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে রাঙ্গামাটির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা বেগম মুক্তা মামলার বাদীর তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটি খারিজ করে দেন।

বাদীর আইনজীবী জুয়েল দেওয়ান এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আদালত বাদীর তদন্ত প্রতিবেদনের নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটি নথিভুক্ত (খারিজ) করেছেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।’

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে ১১ জুন রাতে অপহরণের শিকার হন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সমর্থিত ছাত্রী সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক কল্পনা চাকমা। এ ঘটনায় বাঘাইছড়ি থানায় মামলা করেন তাঁর বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা।

এ মামলায় বাঘাইছড়ি থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক ২০১০ সালের ২১ মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তখন এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে নারাজি আবেদন দিলে আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। পরে সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ দুই বছর তদন্ত করে ২০১২ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবেদনের ওপরও নারাজি দেন মামলার বাদী। এ আবেদন আমলে নিয়ে আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর তৎকালীন পুলিশ সুপার সৈয়দ তারিকুল ইসলাম তদন্ত করে ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। এ প্রতিবেদনেও নারাজি দেন বাদী।

বাদীর অভিযোগ, বাঘাইছড়ি থানা–পুলিশ, সিআইডি ও পুলিশ সুপার তাঁদের তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সঠিক তথ্য আনেননি এবং অপহরণের সঙ্গে জড়িত সেনা কর্মকর্তা লেফেটন্যান্ট ফেরদৌস, ভিডিপি সদস্য নুরুল হক, সালেহ আহমদের নাম প্রতিবেদনে আনেননি।

মামলার বাদী কালিন্দী কুমার চাকমা বলেন, ‘আমি বোনকে অপহরণের সুষ্ঠু বিচার চাই। বোনের অপহরণের বিচার পেতে আমি উচ্চ আদালতে যাব।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions