শিরোনাম
২৩ বাংলাদেশি নাবিকের মুক্তি,মুক্তিপণ দিতে হলো ৫০ লাখ ডলার পুকুরপাড়ে বসে নারীদের গোসলের ভিডিও ধারণ করা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ রাঙ্গামাটির সাজেকে রিসোর্ট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানির সংকট রাঙ্গামাটিতে বৈশাখের খরতাপে অস্থির জনজীবন,তাপমাত্রা ৩৮ডিগ্রী সেলসিয়াস খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরাদের তৈবুংমা-অ-খুম বগনাই উৎসব উদযাপন খাগড়াছড়িতে মারমা সম্প্রদায়ের মাহা সাংগ্রাই-এ জলোৎসবে রঙ্গিন বান্দরবানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নববর্ষের উৎসব পালন বান্দরবানে আসামি ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ সদস্য আহত রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপজেলা নির্বাচন নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে

খুলনায় পাটকলের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি, পুড়েছে শত কোটি টাকার সম্পদ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩৫ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- স্মরণকালের ভয়াবহ আগুনে পুড়ছে খুলনার রূপসা উপজেলার সালাম জুটমিলের পাটগুদাম। ভয়াবহ এ আগুনে পুড়েছে জুট মিলের শত কোটি টাকার মালামাল।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সঙ্গে আগুন নিভানোর কাজে অংশ নিচ্ছেন নৌবাহিনীর দুটি ইউনিটের সদস্যরা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত সাড়ে ১১টা) আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এর আগে বুধবার (৩ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে জাবুসা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় অবস্থিত সালাম জুটমিলের ৩ নম্বর গুদামে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুনে প্রায় শত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে মিল কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসী জানান, বিকেলে সালাম জুট মিলের ৩ নম্বর গুদামে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পাশের দুটি গুদামে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় গুদামে কর্মরত শ্রমিকরা আত্মরক্ষার্থে গুদাম থেকে বের হয়ে আসেন।

প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বশির আহম্মেদ জানান, ৩ নম্বর গুদামে অবস্থিত একটি মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যে ১ ও ২ নম্বর গুদামেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

জুট মিলের স্বত্বাধিকারী এম এম এ সালামের দাবি জুট মিলের ৩টি গুদামে ৭৫০ টন উৎপাদিত পণ্য ছিল, যার আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এছাড়া ১ হাজার ৩০০ টন কাঁচাপাট ছিল, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ কোটি। এছাড়া যন্ত্রপাতিসহ আরও অনেক পণ্য গুদামে। আগুনে সবমিলিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (খুলনা) ফারুক হোসেন শিকদার বলেন, আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিস তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। বিশাল গোডাউন যে কারণে আগুন নেভাতে সময় লাগছে। তবে প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তিনি মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে খুলনা সদর, খালিশপুর, দৌলতপুর, রূপসা, বটিয়াঘাটা, বাগেরহাট অঞ্চল থেকে ১৬টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.net
Website Design By Kidarkar It solutions