নতুন বিনিয়োগ শূন্যের কোঠায়!

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৬ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- গত কয়েক বছর ধরে বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির। করোনা-পরবর্তী কিছু খাতে বিনিয়োগ হলেও এখন একেবারেই বন্ধ। বিশেষ করে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে নতুন বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। একাধিক খাতের ব্যবসায়ী নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর (২০২৩) নতুন বিনিয়োগ শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এর আগে কিছু বিনিয়োগ হয়েছে। তবে সেগুলো শিল্পের সম্প্রসারণ ও অবকাঠামো খাতে। কিন্তু গত বছর পোশাক, বস্ত্রসহ বিভিন্ন খাতে সম্পূর্ণ নতুন কারখানা গড়ে উঠেনি একটিও।

কেন নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না- এর অনেক কারণ বলেছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা। তবে প্রধানত কারণ তিনটি। প্রথমত, গ্যাস সংকট। দ্বিতীয়ত, ব্যাংক অর্থায়নের অভাব এবং তৃতীয়ত, ডলারের দামে অস্থিরতা। অন্য কারণের মধ্যে রয়েছে দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি, শুল্কায়ন ব্যবস্থার জটিলতা, মজুরি বৃদ্ধি, বিদ্যুতের সমস্যা ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২২’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। উদ্বেগজনক হলো, করোনায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক দিন ধরেই বিনিয়োগে মন্দাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। উপরন্তু আগের ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন সংকুচিত হয়েছে; তেমনি নতুন করে কোনো কিছুর প্রসারও খুব একটা ঘটেনি। এতে কাজের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টির সুযোগ হ্রাসের পাশাপাশি অনেকেই চাকরিচ্যুত হয়েছেন। এ ছাড়া অনেকের বেতন-ভাতাও কমেছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর গড়ে ২৬ থেকে ২৭ লাখ মানুষ নতুন করে শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। এ হিসাবে করোনার দুই বছরে অন্তত ৫২ থেকে ৫৪ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও তাদের বেশির ভাগেরই কর্মসংস্থান হয়নি। করোনার পর আরও দুই বছর কেটেছে। তেমন বিনিয়োগ বাড়েনি। ফলে বেকারের সংখ্যাও বেড়েছে।

আইএলওর সাম্প্রতিক সময়ের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। এই সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এটি আমাদের জন্য একটি অশনিসংকেত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সংকট উত্তরণের অন্যতম উপায় হচ্ছে নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করা। দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। আর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নিতেই হবে। বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, যেসব খাত ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে সেসব খাতে নতুন বিনিয়োগ নেই।

টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতে ২০২৩ সালে নতুন করে কোনো বিনিয়োগ প্রস্তাব আসেনি। উদ্যোক্তারা বলেছেন, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নানা সমস্যার কারণে চলমান শিল্পগুলো টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। সেখানে নতুন করে কেউ বিনিয়োগ করবে- এমন প্রত্যাশা করাটাই বোকামি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘আমার জানা মতে গত বছর এই খাতে নতুন কোনো বিনিয়োগ হয়নি।’ এর জন্য প্রধানত দুটি কারণকে দায়ী করে তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানিসংকট এবং ব্যাংক তহবিলের ঘাটতিও উল্লেখযোগ্য কারণ।’ চলতি বছরে কেমন যাবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ভালো কিছু এখনো দেখছি না। গ্যাসসংকট নিয়ে শুরু করলাম বছরটি। শুরুতে গ্যাসের ব্ল্যাকআউট হয়ে গেলে। ভবিষ্যতের কথা কেমনে বলব। এ পরিস্থিতিতে, কার এমন দুঃসাহস আছে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন।’ জানা গেছে, বর্তমানে এ খাতে বিনিয়োগ ২২ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর অঙ্ক ২ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে ৩০ লাখের।

রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে সর্ববৃহৎ খাত তৈরি পোশাকশিল্পে তেমন কোনো বিনিয়োগ হয়নি ২০২৩ সালে। টুকিটাকি কিছু হয়েছে, সেগুলো বিদ্যমান শিল্পের সম্প্রসারণ ও বিল্ডিং নির্মাণ।

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘তেমন বিনিয়োগ হয়েছে বলে মনে হয় না। ২০২৪ সালে শিল্প খাতে ভালো প্রবৃদ্ধি হবে না। কারণ হিসেবে বলেন, অনেক ব্যাংক তারল্যসংকটে ভুগছে। এ অবস্থায় শিল্প খাতের পরিবর্তে ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান নীতি অনুসরণ করে বিনিয়োগ করছে ব্যাংকগুলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের এখন মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিল্পায়নের চেয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে লক্ষ্য হিসেবে ধরার কারণে ব্যাংকের সুদ হারও বেড়েছে। ফলে ঋণ পাওয়া আরও কঠিন হবে। তা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমুখী মুদ্রানীতিতে গেছে। ডলারসংকট মোকাবিলায় আমদানি আরও কঠোর করেছে। ফলে উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আনতে পারছেন না। এ অবস্থায় বিদ্যমান শিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। সেখানে নতুন বিনিয়োগ করার প্রশ্নই ওঠে না। তা ছাড়া ব্যাংকগুলোকে উৎসাহী করা হচ্ছে ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি ভালো না হবে, তত দিন পর্যন্ত শিল্পে বিনিয়োগ হবে না। এসব কারণে এবার শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হবে না।’

বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজার পোশাক কারখানার মধ্যে উৎপাদনে সক্রিয় আছে ১৮০০ থেকে ২ হাজার। এ খাতে মোট ৪০ লাখ লোক সরাসরি কাজের সঙ্গে জড়িত ,যার ৯০ শতাংশই নারী। ‍শুধু তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ ২০ হাজার কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ ছাড়া অর্থবছর শেষে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়। কাজেই দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

তাদের মতে, বিনিয়োগ বাড়াতে হলে প্রয়োজনে স্বল্প সুদের ‘টেকসই উন্নয়ন ফান্ড’ গঠন করতে হবে। পাশাপাশি শিল্প খাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিতকরণ, করপোরেট ট্যাক্স হ্রাস এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। বিনিয়োগে গতি আনতে এগুলো দ্রুত আমলে নিয়ে তা কার্যকরে সরকারকে সর্বোচ্চ নজর দিতে হবে।

বাংলাদেশে উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান-বিআইডিএসের সাবেক ঊর্ধ্বতন পরিচালক ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘কোভিড-পরবর্তী সময়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জাতীয় নির্বাচন- এসব ঘিরে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ছিল। বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনীতিতে কিছু চাপ আছে, ডলারসংকটে লেনদেনের ভারসাম্যে চাপ আছে। এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা ধীরে চলা নীতি নিয়েছিলেন। জাতীয় নির্বাচন শেষ হয়েছে। আমি আশা করছি, মার্চের মধ্যে অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে। এরপর থেকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়বে।’

কর্মসংস্থানের আরেকটি বড় খাত সিরামিকস। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছর এই খাতে নতুন কোনো বিনিয়োগ হয়নি। যারা নতুন করে পরিকল্পনা করেছে, তারাও এখন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন স্থগিত করে রেখেছেন।

এ প্রসঙ্গে আরএকে সিরামিকের চিফ অপারেটিং অফিসার সাধন কুমার দে বলেন, ‘২০২৩ সালে নো নিউ ইনভেস্টমেন্ট ইন দিস সেক্টর। যেসব উদ্যোক্তা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছিল সেগুলো স্থগিত আছে। কেননা, যদি নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ না থাকে তখন এই সেক্টরে টিকে থাকা কঠিন। কারণ, এই খাতে ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকতে হয়।

আরেকটি সমস্যা হচ্ছে মেশিনারিজ আমদানি করার জন্য পর্যাপ্ত এলসি (ঋণপত্র) খোলা যাচ্ছে না। যেখানে কাঁচামালের এলসি করা যাচ্ছে না, সেখানে মেশিনারিজ আনা আরও কঠিন বলে জানান তিনি।’

সিরামিকস খাতে মোট ৭৪টি কারখানা আছে। এর মধ্যে টাইলস ৩১টি, স্যানিটারি ওয়্যারস ১৯টি, ট্যাবিল ওয়্যারস ২০টি এবং সিরামিক ব্রিকস ৪টি। বর্তমানে এই খাতে ‍বিনিয়োগের পরিমাণ ১৭ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে ৫৬ হাজার ৫০০ জনের।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ মনে করেন, ‘কিছু নতুন বিনিয়োগ হয়েছে।’ তবে কোনো পরিসংখ্যান দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সরকারের সঠিক নীতি-সহায়তা। এই জায়গাতে এখনো ঘাটতি আছে। শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের জন্য একটি রোডম্যাপ বা পথনকশা ঘোষণা করতে হবে।’

শুধু তৈরি পোশাক, বস্ত্র, সিরামিকস নয়, প্যাকেজিং, খাদ্যসহ অন্য খাতে নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাব উল্লেখ করার মতো নয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বেসরকারি গ্রুপের কর্মকর্তা বলেন, বেশ কয়েক মাস ধরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ওঠানামা করছে। এ কারণে নতুন বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

জিডিপিতে বিনিয়োগ কমছে
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বেসরকারি বিনিয়োগ ছিল ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ২৩ দশমিক ৬৪ শতাংশে। অর্থাৎ পাঁচ বছরেও প্রবৃদ্ধি বাড়েনি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপিতে বিনিয়োগের অবদান ছিল ২৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৩ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ৫২ শতাংশ।

অপরদিকে জিডিপিতে শিল্প উৎপাদন খাতের অবদানও কমেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ ছাড়া ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ, করোনা-পরবর্তী ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদ ও দেশীয় উদ্যোক্তারা বলেন, চলতি অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান আগের অর্থবছরের তুলনায় আরও কমবে।

বিদেশি বিনিয়োগ হতাশাজনক
ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্ট ২০২৩ অনুসারে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়া সত্ত্বেও জিডিপির শতাংশ হিসাবে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগে-এফডিআইয়ের দিক থেকে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ।

দেশে এফডিআই আকৃষ্ট করতে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছে। নেওয়া হয়েছে ওয়ান স্টপ সার্ভিস। তবুও বিদেশি বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি। শুধু ভারতের মতো অর্থনৈতিকভাবে বলিষ্ঠ দেশই নয়, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার মতো দক্ষিণ এশিয়ার ছোট অর্থনীতির দেশগুলোও এফডিআইয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে।

ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্ট ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় অর্থনীতির দেশ হওয়ার পরও জিডিপির শতাংশ হিসাবে এফডিআইয়ের দিক থেকে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ।

২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে বার্ষিক গড়ে এফডিআই এসেছে ২৯২ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ৯২ বিলিয়ন। এটি জিডিপির শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের কাছাকাছি। অথচ ২০২২ সালে মালদ্বীপে যে পরিমাণ এফডিআই এসেছে তা জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ। খবরের কাগজ

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.net
Website Design By Kidarkar It solutions