শিরোনাম
বান্দরবানের সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের আরও ১৩ সীমান্তরক্ষী পালিয়ে বাংলাদেশে রাঙ্গামাটিতে সাংগ্রাই জল উৎসব অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে আ.লীগ নেতার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, সড়কে যান চলাচল বন্ধ ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ১৩ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে বারতে পারে মৃত্যুের সংখ্যা বৈশ্বিক স্বাধীনতা সূচকে ১৬৪ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪১ কঠোর অবস্থানে ইরান, হামলার পাল্টা হামলা হবে ভয়াবহ, জবাব দেয়া হবে কয়েক সেকেন্ডেে রাঙ্গামাটি ৪ উপজেলায় নির্বাচনে: মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৩৭ জন টেস্ট পরীক্ষার নামে বাড়তি ফি আদায় করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্বকাপ নিয়ে বেশি প্রত্যাশার দরকার নেই বলছেন শান্ত বান্দরবানের ৪ উপজেলায় নির্বাচন: মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৩২ জন

বান্দরবানের রুমায় অস্ত্রের মুখে ইউপি চেয়ারম্যানকে অপহরণ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১২৯ দেখা হয়েছে

বান্দরবান:- বান্দরবানের রুমায় অস্ত্রের মুখে পাইন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমাকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণের সাথে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কুকি চীন ন্যাসনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সশস্ত্র সদস্যরা জড়িত থাকার দাবি চেয়ারম্যানের সফরসঙ্গীদের।

আজ রোববার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, রুমা উপজেলার পর্যটন স্পট ক্যাওক্রাডং পাহাড় এলাকা থেকে ফেরার পথে হারমুন পাড়া এলাকায় চান্দের গাড়ি থামিয়ে পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমাকে অপহরণ করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

অপহরণের পর চেয়ারম্যানের মুক্তিপণ বাবদ মোটা অংকের টাকা দাবি করেছে অপহরণকারীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চেয়ারম্যানের কয়েকজন সফরসঙ্গী বলেন, প্রতিটি চান্দের গাড়িতে ১৮ জন করে দুটি গাড়ি নিয়ে ৩৬ জন রোববার সকালে তারা কেওক্রাডং একটি এনজিও প্রজেক্ট দেখতে যান। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে রুমা উপজেলা সদরের উদ্দেশ্যে ফেরারপথে কেএনএফ সদস্যরা গাড়ীর গতিরোধ করে।

জলপাই রঙের সামরিক পোশাক পরিহিত ৭ জন সশস্ত্র কেএনএফের সদস্য চেয়ারম্যানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অন্যদের ছেড়ে দেন। তবে কাউকে না বলার জন্য হুমকিও দেন সন্ত্রাসীরা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুমা থানার ওসি মো. শাহজাহান জানান, অপহরণের বিষয়টি শুনেছি। জেলা পুলিশের কার্যালয়ে একটি মিটিং শেষে আমি রুমায় এসেই কাজ শুরু করেছি। ঘটনাস্থলের ওখানে কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই।

রুমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল হক জানান, বগালেক-হারমুন পাড়ার মধ্যখানের একটা এলাকা থেকেই চেয়ারম্যানকে অপহরণের বিষয়টি জেনেছি। আইনশঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। অপহরণকারীরা মুক্তিপণও চেয়েছেন। মুক্তিপণ দিলে তারা ছেড়ে দেবে বলে শুনেছি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.net
Website Design By Kidarkar It solutions