শিরোনাম
ইনকিলাব মঞ্চের জাবের গুলিবিদ্ধ, আহত জুমা-আম্মারসহ অনেকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দুর্গম ৬টি ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে যাবে ভোটের সরঞ্জাম তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্বিকক্ষীয় সংসদসহ বিএনপির ইশতেহারে ৩৫ প্রস্তাবনা পাঁচ অধ্যায়ে বিএনপির ইশতেহার, ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ আছে যেসব প্রতিশ্রুতি ইনকিলাব মঞ্চ ও পুলিশ সংঘর্ষ,জাবের-আম্মারসহ কয়েকজন হাসপাতালে বিএনপির ইশতেহার তুলে ধরছেন তারেক রহমান, ফ্যামিলি কার্ড চালুসহ ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতি বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শান্তিচুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করবে–বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ কক্সবাজারের ৪টি আসনের ৫৯৮ কেন্দ্রের ৩২৯টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন জাতীয় গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশে আপত্তি? জামায়াতের মতো মিথ্যাবাদী দ্বিতীয়টি নেই

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধস

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৪১ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিরোট:- যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমছে। বিদায়ী বছরের প্রথম ১১ মাসে এই দেশে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধস নেমেছে। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ শতাংশের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। তথ্যমতে, বিদায়ী বছরের জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৭৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি এর আগের বছরের তুলনায় একই সময়ের তুলনায় এক-চতুর্থাংশ (২৪.৯১ শতাংশ) কম। ২০২২ সালের প্রথম ১১ মাসে দেশটিতে ৯০৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশটির খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশ থেকে পোশাক কেনা কমিয়ে দিয়েছে। তবে ব্ল্যাক ফ্রাইডে, সাইবার মানডে ও ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বিক্রি কিছুটা বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল অফিসের (ওটেক্সা) তথ্য অনুসারে, দেশটিতে ক্রেতাদের খরচ কমে যাওয়ায় গত বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ২৪.৯১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৭৯ বিলিয়ন ডলারে। বস্ত্র ও তৈরি পোশাক এক সঙ্গে বিবেচনায় নিলে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি ২৫.৪১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৯৫ বিলিয়ন ডলারে।
এদিকে চীন, ভিয়েতনাম, ভারত ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ থেকেও এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের চালান কমেছে। এটি ২২.৪০ শতাংশ কমে হয়েছে ৭২.৪০ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে চীন থেকে পোশাকের চালান ২৫.৮৫ শতাংশ কমে ১৫.২১ বিলিয়ন ডলার ও ভিয়েতনাম থেকে ২২.৬৮ শতাংশ কমে ১৩.১৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

ভারত থেকে পোশাকের চালান ২১.৫৩ শতাংশ কমে ৪.১৮ বিলিয়ন ডলার ও পাকিস্তান থেকে ২৮.০৫ শতাংশ কমে ১.৮৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

অটেক্সার তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১০ বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২.৩৩ শতাংশ। ২০১২ সালে রপ্তানি ছিল ৪১৮ কোটি ডলার। পরের বছর তা বেড়ে ৪৬৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

রপ্তানিকারকরা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় গত বছরের মাঝামাঝি বিদেশি খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো তাদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করেছিল। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো স্থানীয় সরবরাহকারীদের কাছে খোঁজখবর নিচ্ছেন। আশা করা যায়, শিগগির যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের চালান আবার বাড়বে।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আশা করা হচ্ছে, আগামী ফেব্রুয়ারি বা মার্চ থেকে এর চাহিদা বাড়বে। কেননা, বছর শেষে উৎসবগুলোয় পণ্যের মজুত অনেক কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতাদের প্ল্যাটফর্ম ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশনের (এনআরএফ) প্রধান অর্থনীতিবিদ জ্যাক ক্লেইনহেঞ্জ বিবৃতিতে জানান, অক্টোবর ও নভেম্বরে ক্রেতারা খরচ অনেক কমিয়েছেন। তবে এর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় পণ্য ও পরিষেবায় খরচ বেড়েছে ৫.২ শতাংশ। মানুষ পরিষেবাগুলোয় খরচ বাড়িয়েছেন। এটি করোনা মহামারির আগের অবস্থায় ফিরে আসছে। ব্যক্তিগত আয় আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় তা ক্রেতাদের কেনাকাটা বাড়াতে সহায়তা করছে বলেও এনআরএফ’র তথ্যে জানা গেছে। মানবজমিন

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions