শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্বাচন উপলক্ষে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জাপানের চোখধাঁধানো জয় ‘আয়রন লেডি’ তাকাইচির ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ! সিসি ও বডি–ওর্ন ক্যামেরা থেকে ফুটেজ নেয়ার পরামর্শ যেসব কারণে ভোট বাতিল হতে পারে পার্বত্য চট্টগ্রামের ত্রিমুখী নির্বাচনী বাস্তবতা উত্তাপ, নীরবতা ও নেপথ্য সমঝোতার রাজনীতি পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্বাচন ও সংবিধান: রাষ্ট্র কি নীরবে সীমান্ত হারাচ্ছে? পার্বত্য চট্টগ্রামের ভোট: ব্যালট নয়, ভয়ের রাজনীতি ও রাষ্ট্রের নীরব পশ্চাদপসরণ পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্বাচন: ভোট নয়, ক্ষমতার অদৃশ্য মানচিত্র রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট লোকবল সন্ন নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ভূমিকা

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪
  • ৩৩৩ দেখা হয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতির অভিযোগে আজিজ আহমেদকে চিহ্নিত করার কথা জানান। এর ফলে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

আজিজ আহমেদ ২০১৮ সালের ২৫ জুন থেকে ২০২১ সালের ২৪ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে তাঁর মার্কিন ভিসা বাতিলের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে সে সময় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষযয় কোনো মন্তব্য করেনি। আজিজ আহমেদও তার মার্কিন ভিসা বাতিলের তথ্য নাকচ করেছিলেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, জেনারেল আজিজ উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন।
তার কর্মকাণ্ড সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করেছে। তার কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে হেয় করতেও ভূমিকা রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, আজিজ আহমেদ তার ভাইয়ের ফৌজদারি অপরাধের জবাবদিহি এড়াতে সহযোগিতা করেছেন। এর মধ্য দিয়ে সরকারি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তিনি উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই ব্যবস্থা গ্রহণ বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে শক্তিশালী করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারি পরিষেবাগুলোকে আরো স্বচ্ছ এবং সাশ্রয়ী, ব্যবসায়িক ও নিয়ন্ত্রক পরিবেশ উন্নতকরণ এবং অর্থ পাচার এবং অন্যান্য আর্থিক অপরাধের তদন্ত ও বিচারে সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো
© All rights reserved © 2023 Chtnews24.com
Website Design By Kidarkar It solutions