chtnews24.com
আরব আমিরাতে ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হলো ঈদুল আযহা
Tuesday, 20 Jul 2021 17:19 pm
Reporter :
chtnews24.com

chtnews24.com

মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন (খালেদ),সংযুক্ত আরব আমিরাত:-সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উদযাপিত হলো আজ। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর মধ্য দিয়ে ত্যাগের মহিমায় ঈদুল আযহা উদযাপন করছেন প্রবাসীরা। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদুল আযহার জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ অনুযায়ী পশু কোরবানি করেন। আবুধাবিতে সকাল ৬.২ মিনিটে ঈদের জামাতে নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মসল্লিরা। সরকারি নির্দেশ মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৫ মিনিটের মধ্যেই নামাজ শেষ করে সামর্থ অনুযায়ী গরু, ছাগল, ভেড়া, দুব্বা, উট জবেহ করা হয়। অন্যন্য বছর অধিকহারে পশু কোরবানি করলেও এবার মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সরকারি বিভিন্ন নিষেদ থাকায় খুব কম সংখ্যক প্রবাসীরাই কোরবান করতে পেরেছেন। এছাড়াও সরকারিভাবে নিষেদ থাকায় অধিকাংশ প্রবাসীরা কোথাও বেড়াতে যাওয়া থেকে বিরত থেকে নিজ নিজ স্থানে অবস্থান করেন। অপরদিকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রবাসীরা বলেন, মহান আল্লাহ সবাইকে মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করুক। পবিত্র ঈদুল আজহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে সবাইকে বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ত্যাগের মহিমায় ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। করোনা মোকাবিলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশনা মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলেন। বাংলাদেশের মতো প্রবাসে নেই কোন ঈদের আমেজ। এখানে জামাতে ঈদের নামাজ আদায় শেষে যে যার যার মতো চলে যায় রুমে। যারা কোরবানে পশু জবেহ করেন তাদেরও রয়েছে সিমাবদ্ধতা। তাছাড়া করোনা ভাইরাসের কারণে সরকারি বিধি নিষেদ থাকায় কারো কোন আনন্দ উপভোগ করারও সুযোগ নেই। তাই বুকভরা কষ্ট নিয়ে কেবল রুমমেটদের সাথেই কাটাতে হচ্ছে এবারের ঈদের আনন্দ। কেউ সময় কাটাচ্ছেন পরিবারের সাথে ফোনে কথা বলে আর কারও দিন কাটছে ঘুমে। এভাবে কাটছে প্রবাসীদের ঈদ। পরিবার থেকে দুরে থাকাটা কতটুকু কষ্টের সেটা ঈদ আসলে যেন আবার পুরনো দিনের স্মৃতিগুলিকে মনে করিয়ে দেয়। তবুও অনেকে সন্তুষ্ট পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পেরে। হাজার মাইল দুরে থেকেও পরিবার প্রিয়জনদের মুখের হাসিতেই যেন সমস্ত দুঃখ-কষ্ট ভুলে যায় প্রবাসীরা। সকলের একটাই প্রত্যাশা সবসময় সুখে থাকুক পরিবার প্রিয়জনেরা।