chtnews24.com
৪০০ পাখির মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ জয়া!
Sunday, 18 Jul 2021 19:13 pm
Reporter :
chtnews24.com

chtnews24.com

ডেস্ক রির্পোট:-দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনয়ের পাশাপাশি নাম লিখিয়েছেন প্রযোজনায়ও। এছাড়া একজন প্রাণীপ্রেমী হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। গত বছর লকডাউনে তিনি রাস্তায় নেমে কুকুরদের নিজের রান্না করা খাবার দিয়েছেন। যার জন্য সর্বসাধারণের বাহবা পেয়েছিলেন। প্রাণী ইস্যুতে এবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জয়া। সম্প্রতি ঢাকার কাঁটাবনে অবস্থিত পশু-পাখির বাজারে ৪০০ পাখি ও কয়েক ডজন কুকুর, বেড়াল, খরগোশ মারা গেছে। লকডাউনের কারণে দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাবার আর আলোর অভাবে প্রাণীগুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্টদের অবহেলাকেই দুষছেন জয়া। তিনি বলেছেন, ‘এই মৃত্যুর কারণ স্রেফ অবহেলা। যারা এসব পোষা প্রাণীদের বাজার বসিয়েছেন, তাদের মনে মায়া নেই? মায়া যদি নাও থাকে, আইনের প্রতি নূন্যতম কোনো শ্রদ্ধা নেই? তারা পোষা প্রাণীর কারবারে নেমেছেন, ‘প্রাণীকল্যাণ আইন ২০১৯’–এ প্রাণীদের প্রতি যেসব সুযোগ–সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, তা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা তাদের নেই?’ ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে জয়া লিখেছেন, ‘করোনা মহামারির দুঃসহ এই সময় আমাদের প্রত্যেকটি পরিবারের মধ্যেই কোনো না কোনো অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে। প্রায় সবার মধ্যেই কোনো না কোনো তাজা ক্ষত আছে। মানুষের কষ্টের কোনো সীমা নেই। মানুষের বাইরে মানুষের ওপর নির্ভরশীল প্রাণীগুলোরও কষ্টের কত খবর যে আমরা পাচ্ছি। কিন্তু একটা খবরে মনটাকে আর বশে রাখা গেল না। ১ জুলাই থেকে যে লকডাউন হলো তাতে ঢাকার কাঁটাবনের পোষা প্রাণীর বাজারে অনেকগুলো পশুপাখি নির্মম মৃত্যুর শিকার হলো। পোষা প্রাণীর মালিকেরা এই পুরো লকডাউনে তাঁদের দোকানপাট রুদ্ধ করে রেখেছিলেন। আলো–বাতাসহীন দমবন্ধ অন্ধকারে ৪০০ পাখি আর ডজনের পর ডজন কুকুর, বেড়াল, খরগোশ, গিনিপিগ তড়পাতে তড়পাতে মারা গেছে। জয়া আরও লিখেছেন, ‘খবরটি শিরোনাম হওয়ার পর কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে। লকডাউনে তারা প্রতিদিন সকালে–সন্ধ্যায় দু ঘণ্টা করে দোকানের শাটার খোলা রাখার আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু এটুকুই কি যথেষ্ট? যে প্রাণীগুলো মর্মান্তিকভাবে মারা গেল, তার দায়ভার কেউ নেবে না? এখানে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ ও দায়ী দোকান মালিকদের অবশ্যই আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া দরকার। তবু শাস্তি তো আর শেষ কথা নয়। পোষা প্রাণীর বাজারে তাদের প্রতিপালনের জন্য আইনের সম্পূর্ণ প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার। না হলে এ বাজার তুলে দেওয়াই কর্তব্য। প্রাণ–প্রকৃতির প্রতি আমরা আর কবে সংবেদনশীল হব!’