বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১, ০৫:৫৫:৪২

দেশে হিন্দু নির্যাতনের পরিস্থিতি পূর্বের সব নির্যাতনের ইতিহাসকে ছাড়িয়েছে

দেশে হিন্দু নির্যাতনের পরিস্থিতি পূর্বের সব নির্যাতনের ইতিহাসকে ছাড়িয়েছে

ডেস্ক রির্পোট:- আগের নির্যাতনের ঘটনায় শাস্তি ও বিচার না হওয়ায় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। আর কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে হিন্দু নির্যাতনের পরিস্থিতি পূর্বের সব নির্যাতনের ইতিহাসকে ছাড়িয়েছে। আজ শনিবার সকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে এ অভিযোগ করেছেন। তাঁরা দাবি করেন, দুর্গাপূজার সময় অস্থিরতা তৈরির জন্য কুমিল্লার মন্দিরের পূজামণ্ডপে ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে ওই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার সকালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি পালন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। আটটি হিন্দু সম্প্রদায়ের সংগঠন এসব কর্মসূচি পালন করে। বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে জানিয়েছে, দেশে এর আগেও ধর্ম অবমাননার অজুহাতে নাসিরনগর, রাউজান, ফটিকছড়ি, কক্সবাজার, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর কয়েক ডজন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই সব ঘটনার বিচার ও শাস্তি না হওয়ার কারণেই দেশে বারবার সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা-নির্যাতন হচ্ছে। তাঁদের কর্মসূচিতে সংগঠনের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দূরভিসন্ধিমূলকভাবে কুমিল্লার পূজামণ্ডপে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এরপর চাঁদপুর, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর ও বান্দরবানের বিভিন্ন জায়গায় পূজামণ্ডপ ভাঙচুর, আগুন দেওয়া, বাড়িঘরে হামলা, সনাতনীদের পিটিয়ে আহত করার মতো ঘটনা ঘটেছে। মহাজোট বলেছে, এসব ঘটনায় শতাধিক পূজামণ্ডপ ধ্বংস করা হয়েছে। চাঁদপুরে দুজন, কুমিল্লায় একজন এবং নোয়াখালীতে চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরির জন্য এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে সব অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার করতে হবে, অন্যথায় হিন্দু মহাজোট সারা দেশে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলবে। আরেকটি মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার বলেন, দেশে বর্তমান হিন্দু নির্যাতনের পরিস্থিতি ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অসাম্প্রদায়িক সরকারের কাছে দেশের মানুষ এটি আশা করে না। মানববন্ধন থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ভিন্ন ভিন্ন নির্যাতন বন্ধ করা এবং সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলা, হিন্দু বাড়ি-ঘরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একই সময়ে পাশাপাশি মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র জোট, শারদাঞ্জলি ফোরাম, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ, বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদ, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট এবং জাগো হিন্দু পরিষদ।

এই বিভাগের আরও খবর

  আওয়ামী লীগের পতন শুরু হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

  তৃতীয় ধাপে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৫৪ ইউনিয়নের মধ্যে নৌকা ১৭, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ১৫

  সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায় : রিজভী

  কেমন আছেন খালেদা জিয়া

  ‘দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া’

  বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর বিক্ষোভসহ ৮ দিনের কর্মসূচি

  রক্ত দিয়ে খালেদা জিয়াকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে: জাফরুল্লাহ

  খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর আহ্বান আড়াই হাজার সাংবাদিকের

  খালেদার বিদেশে চিকিৎসা, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বৈঠক

  '১০০ টাকা বরাদ্দ দিলে গ্রামে ১০ টাকা পৌঁছায়'

  খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৫ রাজনৈতিক দলের চিঠি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?