রবিবার, ১৭ অক্টোবর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:৩৮:৫১

খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়িতে পিসিপি ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ

খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়িতে পিসিপি ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ

ডেস্ক রির্পোট:- খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার দুল্যাতলী ইউনিয়নের ‘ নভাঙ্গা ’ নামক স্থানে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের ৫ নেতা-কর্মীর ওপর মুখোশ সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে এক যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুনয়ন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক সুনীল ত্রিপুরা। বিবৃতিতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত রবিবার ( ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১) সকাল ৯ টার দিকে সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে পিসিপি ও যুব ফোরামের নেতা-কর্মীরা ‘নভাঙ্গা’য় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মুখোশ সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে অতর্কিতে ব্রাশ ফায়ার করে। এতে কোন রকমে পালিয়ে গিয়ে তারা নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হন। সন্ত্রাসী দলটিতে জ্যোতিষ দেওয়ান ও শ্যামল কান্তি চাকমা মূল নেতৃত্বে ছিলেন। নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইদানিং পার্বত্য চট্টগ্রামে অতিমাত্রায় শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মুখোশ বাহিনী গঠন করে, তাদের ভয়ানক মারণাস্ত্রে সজ্জিত করে ও আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ নিরীহ জনসাধারণের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেনা-প্রশাসনের ছত্রচ্ছায়ায় থেকে খুন-গুম-অপহরণ থেকে কোন কিছুই বাদ রাখছেনা। অন্যদিকে বান্দরবানে তথাকথিত মগ পার্টির নামে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত মুখোশ সন্ত্রাসীরা যৌথভাবে রাত-বিরাতে জুম্ম গ্রামগুলোতে হানা দিয়ে তল্লাশীর নামে নিরীহ জনসাধারণকে হয়রানি-নির্যাতন করছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে প্রেরণ নিত্য ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে আশংকার বিষয় হলো জামিন হওয়া সত্তেও মুক্তি না দিয়ে জেল গেইট থেকে পুনরায় নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ পার্বত্য চট্টগ্রামে দমন-পীড়নের রাষ্ট্রীয় নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের প্রতি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?